রোহিঙ্গা মুসলিমদের সাহায্য করতে এগিয়ে এল শিখ স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা

রোহিঙ্গা মুসলিমদের সাহায্য করতে এগিয়ে এল শিখ স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা

রোহিঙ্গা ইস্যুকে কেন্দ্র করে উত্তাল গোটা পৃথিবী,এবার রোহিঙ্গা মুসলিমদের সাহায্য করতে এগিয়ে এল শিখ স্বেচ্ছা সেবক সংস্থা, খালসা এইদ নামক ওই সংগঠন ইতিমধ্যেই বাংলাদেশ-মায়ানমার সীমান্তে পৌঁছে অসহায় রোহিঙ্গাদের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে।প্রাথমিকভাবে ৫০ হাজার মানুষকে সাহায্য পৌঁছে দিতে চায় তারা। যদিও টেকনাফের শরণার্থী শিবিরে শরণার্থীর সংখ্যা ৩ লক্ষের বেশি। খাবার, জল, কাপড় ও বাসস্থানের কোনও বন্দোবস্ত নেই। যে কোনও ভাবেই হোক বসেই বৃষ্টির মধ্যেই রাত কাটাচ্ছে শরণার্থীরা। কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই। এক কথায় অবর্ণনীয় দুর্দশার মধ্যে রয়েছেন শরণার্থীরা। শরণার্থীদের জন্য কমিউনিটি কিচেনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ত্রিপলেরও ব্যবস্থা করা হয়েছে। যদিও তা সংখ্যার তুলনায় অনেক কম।

স্বেচ্ছাসেবক সংগঠনটির অন্যতম সদস্য অমরপ্রীত সিং সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, বাংলাদেশ-মায়ানমার সীমান্তে যে অসহায় অবস্থার মধ্যে দিয়ে দিন কাটাচ্ছেন রোহিঙ্গারা, তা অবর্ণনীয়। এই প্রথম খালসা এইদ মায়ানমার-বাংলাদেশ সীমান্তে পৌঁছে রোহিঙ্গাদের সাহায্য করতে শুরু করেছে। অমরপ্রীত আরও জানান, বাংলাদেশ-মায়ানমার সীমান্তে যে রোহিঙ্গারা রয়েছেন, তাঁদের মাথার উপর যে কেবল ছাদটুকু নেই তাই নয়, পরনের পোশাক ও খাবারটুকুও জুটছে না দেশ ছেড়ে আসা এই দুর্গতদের। ফলে কীভাবে যে তাঁরা লড়াই করে প্রতিটা দিন কাটাচ্ছেন তা না দেখলে বিশ্বাস করা যাবে না। 

অন্যদিকে রোহিঙ্গা ইস্যুতে মায়ানমারের পাশে চিন। মায়ানমারের রাখাইন প্রদেশে আগস্টের শেষে পুলিশ ফাঁড়িতে সন্ত্রাসবাদী হামলার পাল্টা সামরিক অভিযানে সেখানকার ৩ লক্ষের বেশি সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলিম ভিটেছাড়া হয়ে বাংলাদেশে পালিয়েছে। রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার সংস্থার প্রধান জেইজ রাদ আল হুসেইনের মন্তব্য, যে কায়দায় হিংসা চলছে, তা ‘একটি জাতিগোষ্ঠীকে সমূলে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ায় আদর্শ উদাহরণ’ হতে পারে।