নাবালিকা ধর্ষনের প্রতিবাদ করতে কি করলেন পাকিস্তানের সংবাদ সঞ্চালিকা,দেখে নিন

নাবালিকা ধর্ষনের প্রতিবাদ করতে কি করলেন পাকিস্তানের সংবাদ সঞ্চালিকা,দেখে নিন

নাবালিকা ধর্ষনের পর ঘটনার প্রতিবাদে উত্তাল গোটা পাকিস্তান, প্রতিবাদ জানাতে পছে নেমেছেন ছেলে-মেয়ে নির্বিশেষে সকলেই,

জনতা-পুলিশের হাতাহাতিতে প্রান হারান দুই বিক্ষোভকারী,  নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুনের প্রতিবাদে নিজের শিশুকন্যাকে কোলে নিয়ে তিনি খবর পড়েন সংবাদ সঞ্চালিকা। আর অনুষ্ঠানের শুরুতে নিজেকে একজন অ্যাঙ্কর নয়, পরিচয় দেন একজন মা হিসেবে। বললেন, “আজ আমি নিউজ় অ্যাঙ্কর নয়, এখানে উপস্থিত হয়েছি একজন মা হিসেবে। আর তাই আমার মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে এসেছি। কারণ আমার কোলেই সে সবচেয়ে বেশি সুরক্ষিত।”

 

নাজের দেড় মিনিটের বুলেটিন চোখে জল এনে দেয়। সত্যিই ছোট্ট কফিনের ভার অনেক বেশি। সেই ভারে ভারাক্রান্ত গোটা দেশ, বলা ভাল গোটা দুনিয়া। এমনকি  সাত বছরের মেয়েটির হত্যাকাণ্ড নিয়ে এতটাই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পাকিস্তান যে সেখানকার পঞ্জাব প্রদেশে প্রতিবাদ চলাকালে পুলিশের গুলিতে দুই ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত হয় বুধবার।ভারত সীমান্ত থেকে সামান্য দূরেই অবস্থিত কসুর শহরটি। সেখানেই গত ৪ জানুয়ারি টিউশন থেকে ফেরার সময় নিখোঁজ হয় যায় সাত বছরের জৈনাব। সেই সময় মেয়েটির বাবা-মা হজ করতে সৌদি আরব গিয়েছিলেন। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায় মেয়েটি একটি অজ্ঞাতপরিচয়ের ব্যক্তির সঙ্গে রয়েছেন।

গত সপ্তাহে জাইনাব নিখোঁজ হয়ে যান। মঙ্গলবার কসুরে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার হয়। তাঁর মৃত্যুতে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে কসুর। থানায় ভাঙচুর চালান বাসিন্দারা। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ ফায়ারিং করতে বাধ্য হয়। এই ঘটনায় দু’জনের মৃত্যুও হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও তিনজন।
ওই ঘটনার উল্লেখ করে কিরণ নাজ় বলেন, “যখন এই ঘটনাটি ঘটে তখন তীর্থ করতে সৌদি আরবে গিয়েছিলেন নাবালিকার অভিভাবকরা। তাঁরা যখন সেখানে নিজেদের মেয়ের সুদীর্ঘ জীবনের জন্য প্রার্থনা করছেন। ঠিক তখনই পাকিস্তানে এক রাক্ষস তাকে নৃংশসভাবে খুন করছে। আমার মনে হয়, এর ফলে শুধু ওই নাবালিকার মৃত্যু হয়নি। মৃত্যু হয়েছে পুরো সমাজের।”