দুর্নীতির মামলায় খালেদা জিয়ার সাত বছর কারাদন্ড

দুর্নীতির মামলায় খালেদা জিয়ার সাত বছর কারাদন্ড

 দুর্নীতি মামলায় বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জ়িয়াকে সাত বছর কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল সেদেশের আদালত।শওহর জ়িয়াউর রহমানের নামাঙ্কিত একটি অনাথ আশ্রমের অর্থ আত্মসাতের দায়ে ফেব্রুয়ারিতে খালেদা জ়িয়াকে ৫ বছর কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয় আদালত। অপর একটি দুর্নীতির মামলা নিম্ন আদালতে চলছিল খালেদার বিরুদ্ধে। তাঁর জেলবন্দী অবস্থাতেই সেই মামলার শুনানি চলছিল। সোমবার ঢাকার বিশেষ আদালতের বেঞ্চ বিএনপি নেত্রী-সহ ৪ জনকে হাজতবাসের নির্দেশ দেন৷ অভিযোগ, ক্ষমতার অপব্যবহার করে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে ৩ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন জিয়া-সহ ৪ অভিযুক্ত৷ ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারের ভিতরে পঞ্চম বিশেষ জজ আদালতের অস্থায়ী এজলাস এই রায় ঘোষণা করে৷মামলার তদন্তের দায়িত্ব ছিল দুর্নীতি দমন কমিশনের হাতে। সেই মামলাতেই সোমবার সকালে খালেদা জিয়াকে সাজা শোনান বিচারক আখতারুজ্জামান। 

এমায়েতখানা দুর্নীতি মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর গত ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে জেলবন্দি খালেদা জিয়া। বিরোধী বিএনপির অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে খালেদাকে জেলে ভরেছে আওয়ামি লিগ সরকার। অভিযোগ মানতে রাজি নয় বাংলাদেশের শাসকদল।   
বর্তমানে জেল থেকেই দলীয় কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছেন BNP নেত্রী। এদিকে আজ রায় ঘোষণার পর রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন BNP-র সমর্থকরা। সেই অভিযোগকে কেন্দ্র করে পুলিশ-BNP সমর্থকদের খণ্ডযুদ্ধ শুরু হয়ে যায়। 

BNP নেতৃত্বের তরফ থেকে অবশ্য এখনও কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি। তবে, খালেদার আইনজীবী সামগ্রিক ঘটনাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলে অভিযোগ করেছেন।