পাকিস্তানকে সন্ত্রাসবাদ বলে উল্লেখ করায় আসরে নামল চিন

পাকিস্তানকে সন্ত্রাসবাদ বলে উল্লেখ করায় আসরে নামল চিন

পাকিস্তানের মাটি থেকে নিরাপদ জঙ্গি ঘাঁটি উচ্ছেদ করার জন্য বেজিংয়ের বক্তব্য, পাকিস্তানের দিকে আমেরিকার আঙুল তোলা চলবে না। তালিবান, হক্কানি নেটওয়ার্কের মতো সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীগুলির বিরুদ্ধে স্পষ্ট পদক্ষেপ করতে ব্যর্থ বলে অভিযোগ তুলে গত সপ্তাহেই পাকিস্তানকে প্রায় ২০০ কোটি মার্কিন ডলার মূল্যের সহায়তা স্থগিত করেছে আমেরিকা।

পয়লা জানুয়ারি ট্রাম্পের ট্যুইট প্রকাশ্যে আসার পরই কার্যত ভেঙে পড়েছে পাকিস্তান। আর চিন বন্ধুর পাশে দাঁড়াতে এগিয়ে এসেছে। চিনের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র লু কাং এক সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, ‘চিন সবসময়ই কোনও একটি নির্দিষ্ট দেশের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ তোলায় আপত্তি জানিয়েছে। আর সন্ত্রাস দমনের দায়ভারও কারো একার নয়। সম্প্রতি হোয়াইট হাউসের তরফে জানানো হয় যে, আমেরিকা আশা করছে সন্ত্রাস দমনে এগিয়ে যেতে চিন হয়ত আমেরিকাকে বোঝাবে। কিন্তু, সেগুড়ে বালি। এদিন সেই প্রসঙ্গেই চিনা প্রতিনিধি জানিয়ে দিলেন, ‘আমরা আগেও বলেছি যে সন্ত্রাস রুখতে পাকিস্তান অনেক স্বার্থত্যাগ করেছে।’ তাঁর মতে, অপরের বিরুদ্ধে আঙুল না তুলে যৌথভাবে সন্ত্রাস দমনের উদ্যোগ নেওয়া উচিৎ।

টুইট করে তিনি জানান, 'সব ধরনের সাহয্য পেয়েও মিথ্যে প্রতিশ্রুতি ছাড়া কিছুই দেয়নি পাকিস্তান।' এরপর পাকিস্তানের জন্য প্রস্তাবিত সব ধরনের আর্থিক সাহায্য বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয় হোয়াইট হাউস। এর সঙ্গে স্পষ্ট হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়, সন্ত্রাস দমনে দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ করলে, ভবিষ্যতে পুর্নবিবেচনা করে দেখা হবে। তবে, সন্ত্রাসবাদ উত্খাত করার একমাত্র দায়িত্ব পাকিস্তানের, এ কথা মানতে রাজি নয় চিন। চিনা বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র লু ক্যাং বলেন, 'একটি মাত্র দেশকেই সন্ত্রাসে দায়ী বলে দোষারোপ করার জন্য বিরোধিতা করছি। একটি মাত্র দেশ কখনও সন্ত্রাস রোখার দায়িত্ব নিতে পারে না।'