শেখ হাসিনাকে খুনের চেষ্টার দায়ে  ঊনিশ জনের যাবজ্জীবন, সতের জনে মৃত্যুদন্ড দিল আদালত

শেখ হাসিনাকে খুনের চেষ্টার দায়ে  ঊনিশ জনের যাবজ্জীবন, সতের জনে মৃত্যুদন্ড দিল আদালত

বাংলাদেশে ২১ অগাস্টের ঢাকায় আওয়ামি লিগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলায় ঘটনায়  বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান-সহ ১৯ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল আদালত। বাকি সতের জনকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছে আদালত, তবে ঊনিশ জনের মধ্যে তের জনই পলাতক বলেই খবর,আজ ঢাকার ১ নম্বর ফাস্ট ট্র্যাক ট্রাইবুনালের বিচারক শাহেদ নুর উদ্দিন রায় ঘোষণা করেন। দুপুর বারোটার কিছু আগে আদালতে রায় পড়া শুরু হয়। আদালতের বাইরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছিল।

 

২০০৪ সালের ২১ অগাস্ট ঢাকার বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামি লিগের নেত্রী শেখ হাসিনার জনসভায় গ্রেনেড হামলা হয়। ওই ঘটনায় প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্ত্রী, মহিলা আওয়ামি লিগের তদানীন্তন সভানেত্রী আই ভি ওয়াই রহমান-সহ ২৪ জন মারা যান। গুরুতর জখম হন প্রায় তিন শতাধিক। তবে ওই সময় বাংলাদেশের বিরোধী দলনেত্রী শেখ হাসিনা জখম হলেও ভাগ্যক্রমে প্রাণে বেঁচে যান। যদিও তাঁর শ্রবণ ক্ষমতা কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

খালেদা পুত্র তারেক রহমান বর্তমানে রয়েছেন লন্ডনে ৷  বুধবার ফেসবুকে একটি ভিডিও বার্তায় নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করে গোটা মামলার প্রক্রিয়াকে প্রহসন বলে মন্তব্য করেছেন তিনি ৷ রায়দানকে ঘিরে উত্তেজনা ছিলই ৷ আদালত রায় দেওয়ার পর পরিস্থিতি আরোই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ৷  রাজধানী ঢাকার সর্বত্রই এর জন্য হাই অ্যালার্ট জারি হয়েছে ৷

এদিন রায় ঘোষণার পর বাংলাদেশের আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, ‘‘তারেক রহমান গ্রেনেড হামলার মূল চক্রী। তার ফাঁসি হওয়া উচিত্। আমি তারেকের ফাঁসির জন্য আবেদন করব।’’