লালকেল্লা তাদের দেশেই অবস্থিত,দাবি পাকিস্তানের

লালকেল্লা তাদের দেশেই অবস্থিত,দাবি পাকিস্তানের

ভারতে নয়, লালকেল্লা নাকি অবস্থিত পাকিস্তানের লাহোরে ৷ শুধু তাই নয়, মাথায় তেরঙা লাগানো লালকেল্লার নাম নাকি শালামার গার্ডেনস ৷ মোঘল আমলের এই স্থাপত্য নাকি পাকিস্তানের গৌরব ৷ সম্প্রতি এমন সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের এক প্রদর্শনীতে পাকিস্তানের তরফে এমনই অদ্ভুত দাবি করা হয়েছে ৷ এতেই শুরু বিতর্ক ৷

বেজিং এ আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে দিল্লির লালকেল্লাকে পাকিস্তানের শালিমার গার্জেন বলে দেখিয়ে ফেলে পাকিস্তান। অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্য ছিল ভারত ও পাকিস্তানকে এসসিওর নতুন সদস্য হিসাবে স্বাগত জানানো। সেই অনুষ্ঠানে ভারত ও পাকিস্তান দুদেশই নিজেদের ভুখণ্ডে শাহজাহানের স্থাপত্য ঐতিহ্য অংশীদারিত্ব দাবি করে। সে সম্পর্কিত বেশ কিছু নমুনাও পেশ করা হয়। আর সেই নমুনা পেশ করতে গিয়েই ঘটে যায় কেলেঙ্কারি কাণ্ড !

প্রদর্শনীতে সমস্ত দেশই তাদের স্থাপত্য কীর্তি তুলে ধরে ৷ ভারত নিজেদের গৌরবের প্রতীক হিসেবে তাজমহল ও আগ্রার রেড ফোর্টের ছবি ও ইতিহাস সকলের সামনে তুলে ধরে ৷ সেই প্রদর্শনীতেই মুঘল আমলের উল্লেখযোগ্য স্থাপত্যকীর্তি হিসেবে ত্রিরঙা সজ্জিত লালকেল্লার ছবি দেখিয়ে পাক প্রতিনিধিরা দাবি করে এটি লাহোরে অবস্থিত এবং এর নাম শালামার গার্ডেন ৷প্রদর্শনীতে দেখানো হয় ভারতের লালকেল্লাকে পাকিস্তানের শালিমার গার্ডেন হিসাবে দেখানো হয়। উল্লেখ্য, ছবিটিতে স্পষ্ট দেখা যায়, লালকেল্লার মাথায় উড়ছে ভারতের তেরঙ্গা জাতীয় পতাকা। এখানই শেষ নয়, ধারাভষ্যে বলা হয়, এটি নাকি মুঘল সাম্রাজ্যের শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি, যা পাকিস্তানের স্মারক। অন্যদিকে, ভারতের তরফে মুঘল আমলের শ্রেষ্ঠকীর্তি হিসাবে দেখানো হয় তাজমহলকে। বলা হয়, ভারতে মুসলিম শিল্পকার্যের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন তাজমহল, যা ভারতের ঐতিহ্যকে আরও সমৃদ্ধ করছে ।

তবে পাকিস্তান শুধু লালকেল্লার ছবি দেখিয়েছে, তা নয় এর পাশাপাশি মহেঞ্জোদারোর ভগ্নাবশেষের ছবিও স্থাপত্য কীর্তি হিসেবে তুলে ধরে ৷ প্রদর্শনীতে ভারতের প্রতিনিধিরা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন চিন, রাশিয়া, কাজাখস্তান, উজবেকিস্তান, কিরঘিজস্তান ও তাজিকিস্তানের প্রতিনিধিরা ৷

পাক তরফে এমন তথ্য ও ছবি বিভ্রাটের কোনও ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি ৷