শান্তিনিকেতনের পৌষমেলার এবারের আকর্ষন পরিবেশবান্ধব

শান্তিনিকেতনের পৌষমেলার এবারের আকর্ষন পরিবেশবান্ধব

বাঙালির বারে মাসের তেরো পার্বনের মধ্যে পৌষমেলাকে বাদ দেওয়া যায় না,শান্তিনিকেতনের পৌষমেলা দেখার জন্য দূরদূরান্ত থেকে লোকজনের আগমন হয়,প্রতি বছর নানান রকমারি চমক নিয়ে হাজির হয় শান্তিনিকেতনের পৌষ মেলা কর্তৃপক্ষ,তবে এবার নাকি তাঁদের প্রধান আকর্ষন হতে চলেছে পরিবেশ বান্ধব,তাই বন্ধ থাকছে বাজি পোড়ানো,

 

এই বিষয়ে আলচনাক জন্য ছিলেন বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য স্বপনকুমার দত্ত, কর্মসচিব অমিত হাজরা, বিশ্বভারতীর প্রশাসনের বিভিন্ন ভবনের আধিকারিক, কর্মীপরিষদের প্রতিনিধি সহ মহকুমাশাসক শম্পা হাজরা, বোলপুর মহকুমা পুলিশ আধিকারিক অম্লানকুসুম ঘোষ, দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের প্রতিনিধি, বিদ্যুৎ, দমকল বিভাগের আধিকারিকরা।

ওই বৈঠকের পর বিশ্বভারতীর উপাচার্য স্বপনকুমার দত্ত জানান, এবার ছ’দিন ধরে মেলা হবে৷ তবে এবার পরিবেশ রক্ষার ব্যাপারে কর্তৃপক্ষ কড়া ভূমিকা নিচ্ছে৷তবে রাতের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে ঘেরা জায়গার মধ্যে৷ সেক্ষেত্রে শব্দ দূষণবিধি মানা হবে৷ মেলার পরিবেশ সুষ্ঠু ও স্বাভাবিক রাখার জন্য বিশ্বভারতীর উপাচার্য সকলের কাছে আবেদন করেছেন৷ তাঁর কথায়, ‘‘এই পৌষ মেলা শুধু বিশ্বভারতী বা ট্রাস্টের ভাবলে ভুল হবে। সকলের দায়িত্ব এই মেলাকে সুষ্ঠভাবে চালানোর জন্য সহযোগিতা করা।’’

পরিবেশ বিদ সুভাষ দত্ত জানিয়েছেন গ্রিন ট্রাইব্যুনালের রীতি মেনেই পরিবেশ বান্ধবমেলা হবে,যা বিশ্বের কাছে একটি মডেল হবে,আগে যে নিয়মগুলো নির্দেশিকা হিসেবে থাকত, এবার তা কার্যকর করা হবে৷ কোনও প্লাস্টিক দ্রব্য ব্যবহারের ক্ষেত্রে স্পট ফাইন করা হবে৷ শিশুশ্রম নিষিদ্ধ৷ তবে যাঁরা ব্যবসা করতে আসবেন, তাঁদের পরিবারের শিশু থাকতে পারে৷ প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এবার পরিবেশবান্ধব শৌচাগারের সংখ্যা বাড়বে৷