শীতের মাঝেই ঘুরে আসুন কাঁকড়াঝোড়

শীতের মাঝেই ঘুরে আসুন কাঁকড়াঝোড়

শীতের সকাল কিংবা দুপুর, বেড়াতে যাওয়ার সুসময় এটি, তবে বেড়ানোটা যদি একটু রোমাঞ্চ হয় তাতে কিন্তু বেশ মজাই লাগে, আর রোমাঞ্চকর পরিবেশ কে না ভালবাসে, রোমাঞ্চর গন্ধে পেলেই মন সেখানে যাওয়ার জন্য আঁকুপাঁকু করে, তাই তাদের জন্য বেস্ট প্লেস হল কাঁকড়াঝোড়, জঙ্গলমহলের একটি বিশেষ স্থান, কি ভাবেছেন তো কাঁকড়াঝোড় মানে কাঁকড়ার ঝাঁক,, আরে না না জঙ্গলের মধ্যেই এক অপূর্ব স্থান, সেখানে আবার এক রাত থাকলে তার রোমাঞ্চই আলাদা, কারন কড়াঝোরের বুকে রাতে ঝিঁঝিঁর ডাক যাদের হাতছানি দেয়, তাদের জন্য সুখবর। হোমস্টের ব্যবস্থা চালু হয়েছে অরণ্য সুন্দরীর বুকে।

বন দেখতে সকলেই ভালবাসেন,বন্য জন্তুদের সংস্পর্শে থাকার মজাই আলাদা, তাই অরন্যের টানে মানুষ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যেতে বেশ পছন্দ করেন, কাঁকড়াঝোড় অরণ্য সুন্দরী ঝাড়গ্রামের কোলে লাল মাটির দেশ। শাল, সেগুন, মহুয়া, পিয়ালের সারি দিয়ে সাজানো। ঘাটশিলার ২৫ কিলোমিটার আগে কাঁকড়াঝোরই হতে পারে বড়দিনের ছুটিতে আপনার নতুন ডেস্টিনেশন। কারণ এখানে থাকার ব্যবস্থাও আছে। শহুরে লোকজন এসে এখানেই উঠছেন। সফিস্টিকেটেড মোজেইক টালির মেঝে, এসি, রুম হিটার, হোটেলের অনেক সুযোগ সুবিধাই এখানে নেই। কিন্তু তার জন্য কোনও আক্ষেপ নেই পর্যটকদের।আকর্ষণ বাড়াতে হোমস্টে গড়ার ওপর জোর দিয়েছে রাজ্য সরকার। গোপীনাথ মাহাতোর বাড়িতে থাকার ব্যবস্থা সেই পথ খুলে দিল।