গরমের হাঁসফাঁসানি থেকে বাঁচতে চলুন সিকিম

গরমের হাঁসফাঁসানি থেকে বাঁচতে চলুন সিকিম

কি দারুন অগ্নিবান রে,,, আহা, কি গরম। একটু বৃষ্টির ছিঁটেফোঁটা নেই। ঠান্ডা তো দূর অস্ত। গরমে প্রাণ ওষ্ঠাগত হয়ে উঠেছে। তাই গরমের হাত থেকে বাঁচতে উত্তরবঙ্গের বিক্লপ কিছুই নেই। এসময়ে একটু বরফের কোলে যদি গা এলিয়ে সারাক্ষন কাটানো যায় তাহলে আর পায় কি। মেঘের আড়ালে পাহাড়ের লুকোচুরি, তারওপরে কাঞ্চনজঙ্ঘার সূর্যোদয়।

 

দর্শনীয় স্থান-গ্যাংটক, ইয়াকসাম, সমগো হ্রদ, নাথুলা পাস, পেলিং, দ্যা রুমটেক মনেস্ট্রি, ডো-ড্রুল-চোর্তেন, জওহরলাল নেহরু বোটানিক্যাল গার্ডেন, সিকিম রিসার্চ ইনস্টিটিউট অফ তিব্বতলজি, উদ্ভিদ ও প্রাণী অভয়ারণ্য, তিস্তা নদী, মনেস্ট্রি লুপ, রা বংলা, নামচি, পেমিয়াংসে গুম্ফা, রাব্দেন্তসে, জোরথাং, লাচুং, ইয়াম্থাং ভ্যালি, লাচেন, তেমি, তাশিদিং, জুলুক।
 

সমগো লেক : নামকরা হ্রদ,  এই হ্রদের জলে অসংখ্য জলজ এবং বায়বীয় প্রজাতি রয়েছে যা লাল পান্ডাদের জন্য একটি নিখুঁত বাসস্থান হিসাবে পরিচিত। শীতকালে এখানকার দৃশ্য দেখার মতো।
নাথুলা পাস : ভারত-চীন সীমান্তে সবথেকে উঁচু পাস, এই পাসটি ১৪২০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত। এটি তিব্বতের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের মধ্যে দিয়ে সিকিমের সঙ্গে চীনের সংযোগ স্থাপন করে।

ছাঙ্গুলেক : কাঁটাতারের বেড়ার ওপারেই দেখা যাবে চিনের বাড়ি, টহলরত চিনা সেনা। নাথুলার উচ্চতা ১৪৪৫০ ফুট। ফেরার পথে চার কিলোমিটার (নাথুলা-গেট থেকে) উৎরাই রাস্তায় গিয়ে দেখে নিন নতুন বাবামন্দির। দুর্ঘটনায় অকালমৃত পঞ্জাব রেজিমেন্টের হরভজন সিঙের নামে এই স্মৃতিমন্দির। পেলিং : সিকিমের আরও একটি জনপ্রিয় জায়গা পেলিং। ৬৮০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত পেলিং থেকে বিশ্বের তৃতীয় সর্বোচ্চ শিখর কাঞ্চনজঙ্ঘা ভালোভাবে দেখা যায়। এখানে আকর্ষণীয় স্থানগুলি হল সাঙ্গা চোইলিং মঠ, পেমিয়াংসে বৌদ্ধ বিহার ও খেচিপেরি হ্রদ।