চালের কনার থেকে ছোট আকারের কম্পিউটার

চালের কনার থেকে ছোট আকারের কম্পিউটার

সত্যিই ইন্টারনেটের যুগ বটে, এক সেকেন্ডে যেমন গোটা বিশ্ব হাতের মুঠোয় তেমনি অনেক অসাধ্যসাধনই সম্ভব এই প্রযুক্তির কৌশলে। তাই এবার হাতের কাছে পেতে চলেছেন চালের কনার থেকেও ছোট আকারের কম্পিউটার, আরে না না ঘাবড়াবেন না এ ফ্লিপকার্টে ব্রাহ্মন গরু পাওয়ার গপ্পো নয়। একদম সত্যি। আসল কম্পিউটারকে নিয়ে এবার পকেটে ঘুরবেন। তার ব্যবস্থাই করেছেন মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা। তৈরি করল, বিশ্বের সব থেকে ছোট কম্পিউটার। চালের দানার থেকেও ছোট, আকারে মাত্র ০.‌৩ মিলিমিটার। নাম দেওয়া হয়েছে 'মিশিগান মাইক্রো মোট'।

বড় কম্পিউটারে থাকা সমস্ত রকম মেশিন পত্রও কিন্তু রয়েছে এই কম্পিউটারে রয়েছে র‌্যাম, প্রসেসর, ওয়েভ ট্রান্সমিটার, রিসিভার, ফোটোভলটাইক্‌সের মতো যন্ত্রপাতি। যন্ত্রটি ক্যান্সারের চিকিৎসায়ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ! কারণ, এতে রয়েছে প্রিসিশন টেম্পারেচার সেন্সর যা মানুষের শরীরে টিউমার এবং সাধারণ টিস্যুর তাপমাত্রার তারতম্য ধরতে পারবে।

এই ডিভাইসে RAM এবং ফোটোভোলটেইকস ছাড়াও প্রসেসর,ওয়্যারলেস ট্রান্সমিটার এবং রিসিভার আছে। যেহেতু এই মোটগুলো রেডিও অ্যান্টেনা রাখার পক্ষে খুবই ছোটো তাই এরা ডেটা রিসিভ এবং ট্রান্সমিট করে আলোর সাহায্যে। পাওয়ার এবং প্রোগ্রামিংয়ের জন্য বেসস্টেশন থেকে আলো দেওয়া হয়। তার মাধ্যমে ডেটা রিসিভ করে।