প্রথমার্ধেই আশা ক্ষীন সুভাষের দলের

প্রথমার্ধেই আশা ক্ষীন সুভাষের দলের

বিদ্যাসাগর সিংকে তুলে নিয়ে আল আমনাকে মাঠে নামিয়ে খেলার রাশ হাতে নিলেও ভেদ শক্তির অভাব ঢাকতে পারল না ইস্টবেঙ্গল। কাস্টমস এর বিরুদ্ধে গোলশূন্য ড্র করল সুভাষ ভৌমিকের দল। ম্যাচের সেরা কাস্টমস গোলরক্ষক শুভম সেন।লিগের দ্বিতীয় ম্যাচে লাল-হলুদের মুখ থুবড়ে পড়ার কারণ ব্যখ্যা করতে গেলে উঠে আসবে একের পর এক ভুল-ত্রুটির খাতিয়ান। এমনিতেই জায়েন্ট কিলার হিসেবে বরাবর পরিচিত কাস্টমস। ছোট দল হলেও, কাস্টমস দলটার বাঁধুনিটা যথেষ্ট দৃঢ়। কাস্টমসের দলে যে তিন বিদেশি রয়েছেন, তাঁরাও দীর্ঘ দিন ধরে কলকাতা ফুটবলের সঙ্গে যুক্ত। সেখানে দীর্ঘদিন ময়দানি ফুটবলে হাত পাকানো সুভাষ ভৌমিক কী ভাবে দল গঠনে একের পর এক ভুল করলেন তা বোঝা গেল না কোনও যুক্তিতেই। লিগ শুরুর আগেই সুভাষ জানিয়েছিলেন, কলকাতা লিগ তাঁর লক্ষ্য নয়। আই লিগকে পাখির চোখ করে এগোচ্ছেন তিনি।

 

মিনার্ভার হয়ে গোল করা আর ইস্টবেঙ্গলের জার্সি পড়া এক নয় সেটা বুঝে গেলেন তিনি। শুধু গগনদীপ নয়, ব্র্যান্ডন, চুলোভা সহজতম সুযোগ নষ্ট করার খেলাই খেললেন। সঙ্গ দোষে লালরিনডিকাও ফাঁকা গোল করতে ব্যর্থ। রেফারি বিপ্লব পোদ্দার আট মিনিট অতিরিক্ত সময় দিয়েছেন।  যা নিয়ে দর্শকদের মধ্যে হাসির রোল উঠল। তবে ম্যাচ নিয়ে একপেশে রেফারিংয়ের অভিযোগ করলেন কাস্টমস কোচ রাজীব বাগ। এদিকে কোচের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, আর বিক্ষোভ হাটাতে পুলিশের তেড়ে যাওয়া। স্ট্রাইকার সমস্যা না মিটলে এই ছবি ফের দেখা গেলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।