মিনি ডার্বির লড়াই শেষে জয়ী মোহনবাগান

মিনি ডার্বির লড়াই শেষে জয়ী মোহনবাগান

মিনি ডার্বির রুদ্ধশ্বাস লড়াই শেষে তিন পয়েন্ট পকেটে পুরল মোহনবাগান৷ ঘরোয়া লিগের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে আজহারের জোড়া গোলে মহমেডানকে ২-১ হারাল শংকরলালের ছেলেরা৷সেই ২০১২-১৩ মরশুমে মহামেডানের বিরুদ্ধে শেষবার জিতেছিল মোহনবাগান। তারপর টানা চারবছর ধরে মিনি ডার্বিতে কোনও সাফল্য নেই সবুজ-মেরুন ব্রিগেডের। আজ সেই পরিসংখ্যানটি বদলে গেল। মহামেডানের বিরুদ্ধে ২-১ গোলে জয় পেয়েছে মোহনবাগান।ম্যাচের ২৬ মিনিটে গোল করে সাদাকালো শিবিরকে এগিয়ে দেন তিনি। এক গোলে পিছিয়ে যাওয়ার পর আক্রমণের ঝাঁঝ আরও বাড়ায় মোহনবাগান। ৩৭ মিনিটে গোল করে সমতা ফেরায় আজহারউদ্দিন মল্লিক। ১-১ গোলে শেষ হয় প্রথমার্ধের খেলা।

দুটি দলই এ মরশুমে অনেকগুলি করে গোল করেছেন। এদিনের ম্যাচের আগে অবধি মোহনবাগান- মহমেডান দু' দলেরই গোলের সংখ্যা ছিল ১৭। মোহনবাগানের হয়ে বিদেশিরা ১১টি গোল করেছিলেন অন্যদিকে স্বদেশিরা করেছিলেন ৬ টি গোল। পাশাপাশি মহমেডানের হয়ে গোল করেছিলেন ১১টি স্বদেশিরা ও ৬টি বিদেশিরা। তবে এদিন বাগান জার্সিতে কামাল করে গেছেন বাগানের দেশীয় ফুটবলাররা। কামো- ক্রোমা জুটিতে বারবার আক্রমণ শানালেও তাঁদের মার্ক করে রেখেছিল মহমেডান ফুটবলাররা।

প্রথমার্ধের ২২ মিনিটে ফইয়াজের গোলে এগিয়ে যায় সাদা কালো ব্রিগেড ৷ ডিকার বাড়ানো বল ফইয়াজে বাঁ-পায়ে লেগে শিল্টনকে পরাস্ত করে গোলে ঢুকে যায়৷ দ্বিতীয়ার্ধে একধিক সুযোগ তৈরি করলেও কামো-ক্রোমারা কার্যত মহমেডান গোলরক্ষক শংকর রায়ের কাছেই আটকে যায়৷ ৪১ মিনিটে ক্রোমার ব্যাক টু ব্যাট শট বাঁচিয়ে নায়ক বনে যান সাদা-কালোর তরুণ গোলকিপার৷অতিরিক্ত ৪ মিনিট দেওয়া হয়। সেইসময়েই লিংডোর একটি ক্রসকে কাজে লাগিয়ে অসাধারণ ফ্লিক হেড করেন সেই আজ়হার। এই হেডেই দলের জয়সূচক গোলটি চলে আসে। আজ রেফারি উত্তম সরকার যথেষ্ট দক্ষতার সঙ্গে গোটা ম্যাচ পরিচালনা করেন।