প্রথম বছরের ডার্বি রইল অমীমাংসিত, ড্র দুদলই

প্রথম বছরের ডার্বি রইল অমীমাংসিত, ড্র দুদলই

হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর ২-২ গোলেই অমীমাংসিত রইল বছরের প্রথম ডার্বি। এদিন ইস্ট বেঙ্গল ও মোহন বাগান, দুদলের খেলোয়াড়রাই সমানে সমানে টক্কর দেন। প্রথমে পর পর ২ গোল করে এগিয়ে গেলেও পরে গোল শোধ করে দেয় লাল হলুদের খেলোয়াড়রা। 

শুরুর মাত্র ২০ মিনিটের মধ্যেই মোহনবাগান ক্রস ক্রস খেলতে ইস্টবেঙ্গলের বক্সে পৌঁছে যায়। বক্সের মধ্য়ে দুরন্ত পাস বাড়ান মোহনবাগানের অরিজিৎ বাগুই। ইস্টবেঙ্গলের জালে বল জড়িয়ে দিতে ভুল করেননি পিন্টু মাহাতা। মোহনবাগানের মাঝমাঠকে এদিন নেতৃত্ব দেন অরিজিৎ বাগুই। সবুজ-মেরুণের দ্বিতীয় গোলটির ক্ষেত্রেও তাঁর একশ শতাংশ অবদান। অরিজিৎ-এর বাড়ানো ক্রস থেকে ফের ইস্টবেঙ্গলের জালে বল জড়িয়ে দেন হেনরি কিসেক্কা।  মোহনবাগানের গতিকে সামাল দিতে গিয়ে দুই দু'টি গোল খেয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরু হতেই এক অন্য মেজাজে উঠে আসে লাল-হলুদ।

এদিকে ২-১ পিছিয়ে দ্বিতীয়ার্ধ খেলতে নামা ইস্টবেঙ্গল যেন অন্য এক দল ৷ মোহনবাগানের নিয়ন্ত্রণ থেকে দারুণ দক্ষতায় ম্যাচ বার করে নিতে শুরু করেন ৷ ব্র্যান্ডন -চুল্লোভারা ৷

৬১ মিনিটে দারুণ কর্ণার রাখেন লালরিনডিকা রালতে ৷ কলকাতা মাঠে বিশ্বকাপার নয় দেশীয় প্লেয়ার বিশ্বমানের গোল করে দেখান ৷

এরপর অবশ্য মাঠে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে৷ ডানমাবিয়াকে ফাউল করা হলেও কোনও কার্ড দেখাননি রেফারি ৷ এরপরেই আল আমনা এবং শিলটন পাল গন্ডগোলে জড়িয়ে পড়েন ৷ রেফারি অবশ্য দু‘জনকেই হলুদ কার্ড দেখান ৷

এরপর অবশ্য গোলের ব্যবধান বাড়াতে পারেনি কোনও পক্ষই ৷

এদিনের ম্যাচের পর ৮ ম্যাচে মোহনবাগানের পয়েন্ট দাঁড়াল ২০। ওদিকে সম সংখ্যক ম্যাচ খেলে ইস্টবেঙ্গলের পয়েন্টও একই। তবে গোলসংখ্যায় এগিয়ে থাকায় লিগ টেবিলের শীর্ষে রইল মোহনবাগানই।