ফাইনালে দীপা কর্মকার

ফাইনালে দীপা কর্মকার

রিওতে ভল্ট ইভেন্টে ফাইনালে উঠলেন আগরতলার দীপা কর্মকার । রিও থেকে দীপা ফোনে জানতে চাইলেন, রবিবার তাঁর ফাইনালে ওঠা বাবা-মা দেখেছে কি না। দুলালবাবুর উত্তর, ' পদক নিয়ে আসার চেষ্টা কর। ১৪ তারিখ ভল্ট ফাইনাল যখন হবে তখন এখানে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান শুরু হয়ে যাবে। সে দিন পদক পেলে তার চেয়ে বড় কিছু হয় না।' 
মেয়ে ভল্ট ফাইনালে গিয়েছে, উজান অভয়নগরের বাসিন্দা দুলালবাবু তা জানেন সোমবার সকাল ছটায় ।তার আগের সকালে সুখবর পেয়ে প্রথমে আবেগে ভেসে যান সাইয়ের প্রাক্তন কোচ দুলাল।দীপার বাড়ির এলাকা তখন আনন্দে মতোয়ারা,খুশির আবেশ চারিদিকে ।
দুলালবাবু বলেন ,' ইভেন্টের আগে যখন ফোন করল, তখন কথা বলতে গিয়ে টেনশনে আমাদের গলা কাঁপছিল। কিন্তু আমরা মেয়েকে সেটা বুঝতে দিইনি। মেয়েকে বলেছিলাম, কোচ যা শিখিয়েছেন ঠিক সেটাই ভল্ট ইভেন্টে করে দেখা। আর কিছুই মাথায় রাখতে হবে না।' 
 দীপার বাবা আরো বলেন , ' এত দিন বাড়িতে বসে ভাবতাম আমার মেয়ে এক দিন অলিম্পিক্সে যাবে। এখন আশায় থাকব পদকের জন্য। ' দীপার মা গৌরীদেবী তখন বলছিলেন, ' মঙ্গলবার দীপার জন্মদিন। আগরতলার সব মন্দিরে ওর জন্য পুজো দেব। ' বলতে ভোলেননি কোচ বিশ্বেশ্বর নন্দীর কথা। দীপার পরিবারের সাফ কথা, গত ষোলো বছর ধরে বিশ্বেশ্বরবাবুর কোচিংয়ে দীপা যে পরিশ্রম করেছেন, রিওতে তারই সুফল পেয়েছেন।