সূর্যকে ছোঁয়ার অভিযান শুরু হল নাসার

সূর্যকে ছোঁয়ার অভিযান শুরু হল নাসার

সূর্যকে ছুঁতে চলল মানুষ। রবিবার সেই অভিযানের সূচনা হল। সূর্যের আউটার অ্যাটমোস্ফিয়ারের করনা অংশে চলবে গবেষণা। নাসা দাবি করেছে গাড়ির মাপের মকাশযানটি সূর্যের ভুপৃষ্ঠের ৪ মিলিয়ন মাইলের মধ্যে পৌঁছে যাবে। এখনও পর্যন্ত কোনও মহাকাশযান সূর্যের অত কাছে পৌঁছায়নি। সূর্যের করনা অংশে এটি গবেষণা চালাবে।

এই মহাকাশযানের নাম বিজ্ঞানী পার্কারের নাম অনুসারে এই মহাকাশযানের নাম রাখা হয়েছে পার্কার সোলার প্রোব ৷ ১৯৫৮ সালে যিনি প্রথম পর্যবেক্ষণ করেছিলেন সূর্যেও বায়ুমন্ডল আছে ৷ সূর্য থেকে ক্রমাগত একটি চুম্বকীয় রশ্মি নির্গত হয়ে থাকে ৷ লাগাতার চুম্বকীয় রশ্মি নির্গত হলেই উপগ্রহ লিঙ্ক উপর প্রভাব ফেলে ৷

এই প্রথম কোনও মহাকাশযান যা সূর্যের খুব কাছ থেকে ছবি তুলে আনতে পারবে ৷ এটির ক্ষেত্রে সব থেকে বড় ও বেশি তথ্য প্রযুক্তি প্রয়োগ করা হয়েছে ৷ এছাড়াও ডেল্টা ৪ হেবি ৷ অন্যান্য মহাকাশযানের থেকে প্রায় ৫৫ গুণ অধিক শক্তিশালী ৷

 

হেলিওফিজিক্স নিয়ে গবেষণা করতে গিয়ে সূর্য নিয়ে অনেক নতুন তথ্য পেয়েছিলেন পার্কার। NASA এই মহাকাশযানের নাম তাঁর নামে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় বিহ্বল এই বিজ্ঞানী। কেনেডি স্পেস সেন্টারে 'টাচ দা সান' মিশনের সাক্ষী থাকলেন তিনিও। আজ মহাকাশযান উৎক্ষেপণের পর তিনি বলেন, 'সূর্যের রহস্য খুব কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করার পর আমি জানি, NASA কতটা কঠিন দায়িত্ব নিয়েছে। এটাও জানি, যে এবার সাফল্য আসবে।'