ডেঙ্গু প্রতিরোধের জন্য একাদশ শ্রেনীর ছাত্রের ড্রোন আবিষ্কার

ডেঙ্গু প্রতিরোধের জন্য একাদশ শ্রেনীর ছাত্রের ড্রোন আবিষ্কার

ডেঙ্গুর কবলে গত বছরে প্রান হারিয়েছেন শয়ে শয়ে মানুষ, শিশু থেকে বৃদ্ধ অনেকেই ডেঙ্গুর কবলে অকালে প্রান হারিয়েছেন, তবে এবার আর হয়তো সেই মা বা পরিবারের কান্না শোনা যাবেনা, কারণ এক স্কুল ছাত্রের আবিষ্কৃত ড্রোন এবার রোধ করবে ডেঙ্গুকে

নাম রাজীব, বাঘাযতীনের কলোনির বাসিন্দা, দরিদ্র পরিবারের সন্তান, বাবা চা  ব্রিকেতা, মাধ্যমিকে নামমাত্র নম্বর নিয়ে পাশ,  যা দেখে কারোরই ইমপ্রেস হওয়ার মতো নয়, সারাদিন মোবাইলের মেসেজ আর ফেসবুকের নোটিফিকেশনে কাটে তার, কিন্তু কে  জানত এই মোবাইল ঘাঁটাঘাঁটি করেই সে সকলের নিন্দার মুখ বন্ধ করে দেবে, ইন্টারনেট ঘাঁটতে ঘাঁটতে ড্রোন তৈরি শেখে। মনে জেদ চেপে বসে। বানাতেই হবে। যা ভাবা তাই কাজ। কিন্তু, ড্রোন বানানোর টাকা কোথায় ? ম্যাটেরিয়ালও লাগবে ? খোঁজখবরও শুরু করে। পথিক সেই ইন্টারনেট। কয়েকজন বন্ধুবান্ধবের থেকে টাকা ধার নেয়। অ্যামেরিকা ও চিন থেকে যন্ত্রাংশ আনানোর ব্যবস্থা করে। রাত-দিন জেগে শুরু হয় ড্রোন বানানো। সাতমাসের চেষ্টায় তৈরি হয় “কাস্টম মেড ড্রোন”। 

তবে এঅ ড্রোনের কাজ কি-

আসলে আকাশে নজরদারি চালিয়ে রাজীবের তৈরি ড্রোন ওয়ার্ড ভিত্তিক জমা জলের খোঁজ দেবে। আকাশপথে নজরদারি চালিয়ে তুলে আনবে হাই রেজ়োলিউলেশন ভিডিও ফুটেজ। সেই ফুটেজ ও জমা জল সংক্রান্ত রিপোর্ট পৌরনিগমে দিলেই বাকি কাজটা সহজ হয়ে যাবে। পৌরনিগম সেই রিপোর্ট দেখে নষ্ট করবে লার্ভা।” সফল হবেই সে একথা স্বীকার করে রাজীব জানিয়েছে,  “ড্রোন নিয়ে আরও কাজ করতে চাই। এই ড্রোনটা ২০০ ফিট উচ্চতা পর্যন্ত উড়তে পারে। পরবর্তী ড্রোনের ক্ষেত্রে আরও নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হবে।”