ভিনধর্মে বিয়ে করায় হাজতবাস যুবকের

ভিনধর্মে বিয়ে করায় হাজতবাস যুবকের

ভিনধর্মে বিয়ে করার শাস্তি পেলেন যুবক! যুবক ভদ্রেশ্বরের অ্যাঙ্গাস গোয়ালাপাড়ার বাসিন্দা। কর্মসূত্রে উত্তরপ্রদেশে থাকতো। মেয়েটি উত্তরপ্রদেশের। দু'জনের মধ্যে ভালবাসার সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল। তাই ছেলেটি বাড়ি ফিরে আসে বিয়ের ব্যবস্থা করার জন্য। কিন্তু এই সম্পর্কে রাজি ছিল না মেয়ের পরিবার। মেয়ের বাবা সুনীল কুমার উত্তরপ্রদেশের বরেলির বারাদরি থানায় প্রেমিকের বিরুদ্ধে মেয়েকে ফুঁসলিয়ে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ দায়ের করেন। আর সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই উত্তরপ্রদেশের পুলিশ বৃহস্পতিবার ভদ্রেশ্বরে পৌঁছায়। প্রেমিক-প্রেমিকা দুজনকেই চন্দননগর মহকুমা আদালতে তোলা হলে আদালত যুবককে ৫ দিনের ট্রানজিট রিম্যান্ডের নির্দেশ দেয়।

এই প্রসঙ্গে যুবকের দাদা তাহির জানান, তাঁর ভাই মহম্মদ জাহিদ ১৫ বছর বয়সে বরেলিতে স্বর্ণকারের কাজ করতে যান। সেখানেই হিন্দু পরিবারের ভারতিকা কুমারের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কিন্তু এই সম্পর্ক মেয়ের পরিবার মেনে নিতে চায়নি বলে জাহিদ বাড়ি ফিরে আসতে চাইলে ভারতিকা বলেন, জাহিদ চলে গেলে তিনি মারা যাবেন। এরপরই তাঁর ভাই জাহিদ ভারতিকাকে নিয়ে ভদ্রেশ্বর চলে আসেন। 

তাঁর দাবি, এখানে তাঁর ভাই ভারতিকার সঙ্গে ম্যারেজ রেজিস্ট্রারের কাছে গিয়ে স্পেশ্যাল ম্যারেজ অ্যাক্টে বিয়ে করেন। তাহিরের অভিযোগ, উত্তরপ্রদেশ থেকে ভারতিকাকে নিয়ে চলে আসার পর থেকেই তাঁর ভাইকে খুনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। বৃহস্পতিবার সকালে ভদ্রেশ্বরের বাড়ি থেকে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ ভারতিকা ও মহম্মদ জাহিদকে নিয়ে গিয়ে চন্দননগর মহকুমা আদালতে হাজির করার পর আদালত জাহিদের জামিনের আবেদন খারিজ করে ৫ দিনের ট্রানজিট রিম্যান্ডের নির্দেশ দেয়।