রজস্বলা মহিলারা এই মন্দিরে ঢুকতে পারবেন না, শীর্ষ আদালত নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলেও নয়

রজস্বলা মহিলারা এই মন্দিরে ঢুকতে পারবেন না, শীর্ষ আদালত নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলেও নয়

ভদ্র মহিলারা মন্দিরে ঢোকার চেষ্টা করবেন না। সুপ্রিম কোর্ট নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতেই পারে। কিন্তু তা সত্বেও ভদ্র ঘরের মহিলারা সবরিমালা মন্দিরের অন্দরে নিজে থেকেই প্রবেশ করবেন না। এমনটাই দাবি মন্দির বোর্ডের প্রধান প্রায়ার গোপালাকৃষ্ণণের। তাঁর কথায়, যে সমস্ত মহিলাদের আত্মসম্মান রয়েছে তাঁরা কখনও মন্দির ঢোকার চেষ্টাও করবেন না।
ঘটনাটি ঠিক কি ঘটেছিল? কয়েকশো বছর ধরে ১০ থেকে ৫০ বছর বয়সী মহিলাদের এই মন্দিরে প্রবেশ নিষেধ৷ শোনা গিয়েছে, রজস্বলা মহিলারা ' অপরিচ্ছন্ন ' বলে তাঁদের গর্ভগৃহে প্রবেশ করতে দেওয়া হয় না৷ ২০০৭ সালে কেরলে বাম নেতৃত্বাধীন এলডিএফ সরকার মন্দিরে মহিলার প্রবেশাধিকার চেয়েছিল৷ কিন্তু ২০১৪-য় কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ সরকার ওই নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখার পক্ষে রায় দেয়৷ কিন্তু তারপর ২০১৬ সালে ফের ক্ষমতায় আসে এলডিএফ৷ ক্ষমতায় ফিরে ফের ২০০৭-এর দাবি ফিরিয়ে আনে তারা৷ সুপ্রিম কোর্টের কাছে আবেদন জানানো হয়, সব বয়সী মহিলাদের মন্দিরে প্রবেশাধিকার দেওয়া হোক৷ চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে শীর্ষ আদালতে বিষয়টি নিয়ে শুনানি শুরু হয়। মামলাটি খতিয়ে দেখার জন্য পাঠিয়ে দেওয়া হয় সাংবিধানিক বেঞ্চে।
সেই পরিপ্রেক্ষিতেই এই মন্তব্য করেছেন দেবাস্বম বোর্ডের প্রধান গোপালকৃষ্ণণ৷ ভারতকে তাইল্যান্ডের মতো পর্যটনস্থল হতে দেবেন না বলেই হুঁশিয়ারি দেন তিনি৷ তাঁর মতে, মন্দিরে রজস্বলা মহিলারা প্রবেশ করলেই তা পর্যটনের কেন্দ্র হয়ে যাবে৷ আর কোনও ভদ্র ঘরের মহিলারা জেনে বুঝে এমনটা করবেন না৷ সুপ্রিম কোর্ট নিষেধাজ্ঞা তুলে দিলেও নয়৷ এমন বিতর্কিত মন্তব্য আগেও করেছেন গোপালকৃষ্ণণ৷ উল্লেখ্য, এর আগে তিনি বলেছিলেন ' যেদিন এমন কোনও যন্ত্র আবিষ্কার হবে, যাতে মহিলাদের শুদ্ধতা মাপা যাবে, সেদিন এই মন্দিরে মহিলাদের প্রবেশে কোনও বাধা থাকবে না৷ '