বৈদিক ব্রাহ্মণরা কি তাহলে সংখ্যালঘুর তকমা পেতে চলেছেন?

বৈদিক ব্রাহ্মণরা কি তাহলে সংখ্যালঘুর তকমা পেতে চলেছেন?

সংখ্যালঘু তকমা পেতে চলেছেন বৈদিক ব্রাহ্মণরা! বৈদিক ব্রাহ্মণদের সংখ্যালঘু তকমা দেওয়ার ভাবনা চিন্তা করছে কেন্দ্র। বৈদিক ব্রাহ্মণদের সংখ্যালঘু তকমা দেওয়া নিয়ে ভাবনা চিন্তা শুরু হলেও, এই নিয়ে দ্বিধা-দ্বন্দ্বে রয়েছে কেন্দ্র। কারণ জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন জানিয়েছে, এই সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক হবে না। এক মারাঠি দৈনিকের প্রতিবেদনের দাবি, বৈদিক ব্রাহ্মণদের সংখ্যালঘুর শ্রেণিতে রাখার প্রস্তাব দিয়েছে কেন্দ্র। এব্যাপারে সংখ্যালঘু কমিশনকে ভাবনা চিন্তা করতে বলেছে সরকার।
উল্লেখ্য, ২০১৬-১৭ সালের রিপোর্টে জুলাই মাসে কেন্দ্রকে কমিশন জানিয়েছিল, বৈদিক ব্রাহ্মণদের সংখ্যালঘু তকমা দেওয়া উচিত নয়। কারণ, তাঁরা হিন্দু ধর্মেরই অংশ। তবে এব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার কেন্দ্রের উপরে ছেড়েছে কমিশন। বৈদিক ব্রাহ্মণদের সংখ্যালঘুর তকমার দাবি তুলেছে ব্রাহ্মণ মহাসভা বা অখিল ভারতীয় ব্রাহ্মণ মহাসভা। কমিশনের বক্তব্য, বৈদিক ব্রাহ্মণদের সংখ্যালঘু শ্রেণিতে ফেলা হলে, রাজপুত বৈশ্য ও অন্যান্য হিন্দু জাতি থেকে একই দাবি উঠতে পারে। ১৯৯২ সালের সংখ্যালঘু আইনের ধারায় সংখ্যালঘু কমিশন গঠিত হয়। ছ'টি ধর্মকে এদেশে সংখ্যালঘুর স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। তারা হল- মুসলিম, খ্রিস্টান, শিখ, বৌদ্ধ, পার্সি ও জৈন।