প্রতারক স্বামীকে দেশে ফেরাতে সুষমার সাহায্য চাইলেন জলন্ধরের চন্দদীপ

প্রতারক স্বামীকে দেশে ফেরাতে সুষমার সাহায্য চাইলেন জলন্ধরের চন্দদীপ

বিয়ের পর থেকেই স্বামী থাকেন নিউজিল্যান্ডে। মাঝে মাঝে কিছুদিনের জন্য ভারতে আসলেও আবার বিদেশে পাড়ি দেন। স্ত্রীকেও সাথে নিয়ে যান না। অন্যদিকে এই সময়কালে বদলে যাচ্ছে শ্বশুরবাড়ির পরিস্থিতিও। এই পুত্রবধূকে শ্বশুরবাড়ি থেকে বলা হয়েছে, সে যেন বাপের বাড়ি ফিরে যায়। এইরকম পরিস্থিতিতে মেয়েটি আর উপায় না দেখে প্রবাসী স্বামীকে দেশে ফেরানোর জন্য বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের দ্বারস্থ হয়েছেন। মেয়েটি কপূরথালার চন্দদীপ কৌর। তাঁর কথা হলো, বিয়ের নামে আর কোনও প্রবাসী ভারতীয় যাতে মেয়েদের ঠকাতে না পারে তার জন্য দৃষ্টান্ত কায়েম করতে চান সে।
জলন্ধরের রমনদীপ সিংহের সঙ্গে ২০১৫ সালের জুলাই মাসে বিয়ে হয় চন্দের। অকল্যান্ডে অ্যাকাউন্ট্যান্টের কাজ করতেন রমনদীপ। বিয়ের পরে পরেই নিউজিল্যান্ড চলে যান রমনদীপ। এ দিকে চন্দ থেকে গিয়েছিলেন শ্বশুরবাড়িতেই। ডিসেম্বরে দিন কয়েকের জন্য ফেরেন তাঁর স্বামী। তার পর থেকে নিউজিল্যান্ডেই। চন্দের দাবি, শ্বশুরবাড়ির লোকজন বলে, তারা রমনদীপকে ত্যাজ্যপুত্র করেছেন। তাই তাকে বাপের বাড়ি ফিরে যেতে বলা হয়। বারবার ফোন করেও স্বামীর সঙ্গে কোনও যোগাযোগ করতে পারেননি তিনি। এমনকী শ্বশুরবাড়ি সম্পর্ক রাখবে না বলে তাঁর ফোননম্বর ব্লকও করে দেয় বলে দাবি করেন চন্দ।
তাই ২০১৬-র অগস্টে স্বামীর বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ জানান চন্দ। এই বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে রমনদীপকে ঘোষিত অপরাধী বলে দাবি করেছে পঞ্জাব পুলিশ। তাকে ধরার জন্য আদালত নির্দেশও জারি করেছে। রমনদীপের পাসপোর্ট বাতিলের দাবিও জানিয়েছেন চন্দদীপ। সম্প্রতি বিদেশমন্ত্রক থেকে চন্দের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে বলা হয়েছে। রমনদীপ দেশে ফিরলেই তাঁর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন জানাবেন তিনি।