ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কাছে সুবিচার চেয়ে  আবেদন অনাবাসী ভারতীয়দের

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কাছে সুবিচার চেয়ে  আবেদন অনাবাসী ভারতীয়দের

পার্লামেন্ট স্কোয়ার্ডে জাতীয় পতাকার অবমাননার ঘটনায় ক্ষোভ জমেছে ব্রিটেনে বসবাসকারী ভারতীয়দের মধ্যে। ঘটনাটি ঘটেছিল কমনওয়েলথ শীর্ষ সম্মেলন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর লন্ডন সফরের সময়। প্রধানমন্ত্রীর সফর চলাকালীন বিভিন্ন ইস্যুতে প্রতিবাদ জানানোর সময় একদল বিক্ষোভকারী ভারতের পতাকা নামিয়ে তা ছিঁড়ে দিয়ে পালিয়ে যায়। ওই ঘটনার যারা ষড়যন্ত্র করেছিল ও প্ররোচনা দিয়েছিল, তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থার দাবি জানিয়ে একটি আবেদন পেশ হল ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মে’র কাছে। 

জানা গিয়েছে, সেই আবেদনে স্বাক্ষর করেছেন ১২ হাজারেরও বেশি মানুষ।
ওই ঘটনার সময় পার্লামেন্ট স্কোয়ারে উপস্থিত ছিল মেট্রোপলিটন পুলিশ। কিন্তু পুলিসের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ঘটনা চোখের সামনে ঘটলেও পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। তাতে ক্ষোভ আরও বেড়েছে। 

ব্রিটিশ পুলিশের সামনেই যারা ভারতীয় পতাকার অবমাননা করেছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে আবেদনটি পেশ করেছে ব্রিটেনের ফ্রেন্ডস অব ইন্ডিয়া সোসাইটি ইন্টারন্যাশনাল। সেখানে ইতিমধ্যেই সই করেছেন ১২ হাজার মানুষ।
ঘটনার প্রতিবাদে সরব হয়েছে হিন্দু ফোরাম অব ব্রিটেনও (এইচএফবি)। এই ফোরামের আওতায় রয়েছে ৩০০টিরও বেশি হিন্দু গোষ্ঠী। ফোরামের তরফে চিঠি দেওয়া হয়েছে স্বরাষ্ট্র সচিব আম্বের রুডকে। সেখানে দাবি করা হয়েছে, গত বুধবার পার্লামেন্ট স্কোয়ারে ‘মাইনরিটিজ এগেইন্টস মোদী’ নামে ওই প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজন করা লর্ড নাজির আহমেদকে লর্ডশিপ থেকে সরিয়ে দিতে হবে। মোদির বিরুদ্ধে ওই হিংস্র প্রতিবাদ সংগঠন ও তাতে প্ররোচনা দেওয়ার জন্য তদন্ত চালানো উচিত।
ঘটনার প্রতিবাদ করে স্বরাষ্ট্র সচিব রুডকে চিঠি দিয়েছেন এইচএফবি’র সভানেত্রী তৃপ্তীবেন প্যাটেল। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘লর্ড নাজির আহমেদের নেতৃত্বেই ভারত বিরোধী ওই বিক্ষোভ থেকে হিংসা ছড়িয়েছিল। সেখানেই ভারতের জাতীয় পতাকা ছিঁড়ে তা জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল।