ব্রিটেনের হাউস অব কমনসে পুরস্কৃত কলকাতার যুবক

ব্রিটেনের হাউস অব কমনসে পুরস্কৃত কলকাতার যুবক

বিদেশে গিয়ে রাজ্যের মুখ উজ্জ্বল করলেন এক প্রবাসী ভারতীয়। কলকাতার এই যুবক ব্রিটেনে গিয়ে বাংলার মুখ উজ্জ্বল করলেন। ১২তম ‘নিউ বিজনেস এন্ট্র্যান্ট অব দি ইয়ার’ (এভিপিপিএল) পুরস্কার পেলেন লন্ডনে প্রবাসী যুবক প্রবীরকুমার চট্টোপাধ্যায়। চলতি বছরের গত ১ মার্চ হাউস অব কমনসে এই পুরস্কার দেওয়া হয় ব্রিটেনে সর্বাধিক বিক্রিত এশিয়ার সংবাদপত্র ‘এশিয়ান ভয়েস’-এর পক্ষ থেকে। 

বহু পুরস্কার প্রাপকের মধ্যে ছিলেন ব্রিটেনের মন্ত্রী সাজিদ জাভিদ, শত্রুঘ্ন সিনহা এবং লেস্টার সিটির ফুটবলার শিনজি ওকাজাকি। এই তালিকায় নাম ছিল প্রবীর চট্টোপাধ্যায়েরও। এই অনুষ্ঠানে একাধিক পার্লামেন্ট সদস্য, বাণিজ্য দুনিয়ার শীর্ষ ব্যক্তিত্বদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন সশস্ত্র বাহিনীর অনেক সদস্য এবং ব্রিটিশ সমাজের নামজাদা বহু মানুষ। বিভিন্ন ক্ষেত্রের ২০ জন মানুষকে তাঁদের কীর্তির জন্য সম্মানিত করা হয়।

কাদের দেওয়া হয় এই এভিপিপিএল পুরস্কার? জানা গিয়েছে, যে সমস্ত ব্যক্তি আর পাঁচজনের থেকে আলাদাভাবে সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে অনন্য নজির গড়েন, বর্তমান ও আগামীর জন্য নতুন সমাজ গড়ার কাজে ব্রতী হন, তাঁদের কাজকে সম্মান জানাতে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। সেই বিশেষ পুরস্কারেই পুরস্কৃত করা হল প্রবীর চট্টোপাধ্যায়কে।

জানা গিয়েছে, কালীঘাটের বিখ্যাত কালী মন্দিরের প্রধান পুরোহিতের পরিবারের সদস্য হলেন প্রবীর। যাঁর ছোটবেলা কেটেছে নিজের মা’কে কালীঘাট মন্দির এবং নিজের পরিবারের জন্য নানাবিধ বাঙালি পদ রান্না করতে দেখে। মায়ের দেখানো রান্নার সরণী ধরেই গরমের মরশুমে মধ্য লন্ডনে তিনি খুলতে চলেছেন ‘লিটল কলকাতা’ নামে একটি রেস্তরাঁ। যেখানে মিলবে কলকাতা সহ পশ্চিমবঙ্গের নানা ধরনের জিভে জল আনা রান্নার পদ। এভিপিপিএল পুরস্কার পেয়ে প্রবীর বলেন, ‘মাদার টেরিজা একবার বলেছিলেন, ভালোবাসার সঙ্গে ছোট কাজের মধ্যে দিয়েই আমরা বড় কাজ করতে পারি। তাঁর সেই কথাটি আমার জীবনে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ।’