বাংলার পঞ্চায়েত ভোটে হিংসার ঘটনা নিয়ে তৃণমূলকে কটাক্ষ মোদীর

বাংলার পঞ্চায়েত ভোটে হিংসার ঘটনা নিয়ে তৃণমূলকে কটাক্ষ মোদীর

কর্ণাটকে ভালো ফল করলেও সরকার গড়তে পারেনি বিজেপি। ত্রিশঙ্কু বিধানসভায় সরকার গড়ার দাবিদার হিসাবে ১০৪ আসন নিয়ে একদিকে রয়েছে একক সংখ্যা গরিষ্ঠ দল বিজেপি, অন্যদিকে রয়েছে কংগ্রেস-জেডিএস জোট। এর জন্য কর্ণাটকের মানুষকে ধন্যবাদ জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। পাশাপাশি সোমবার বাংলার পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে আক্রমণ করলেন তৃণমূল কংগ্রেসকে। 
 
ত্রিপুরা জয়ের পরই দিল্লির হেডকোয়ার্টার থেকে প্রথমে কর্ণাটক, ওড়িশা ও বাংলাকে টার্গেট করেছিল বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। কর্ণাটকে এখনও জয় না পেলেও একক সংখ্যা গরিষ্ঠ দল হিসাবে আত্মপ্রকাশ ইতিমধ্যেই করে ফেলেছে বিজেপি। তাই এবার টার্গেট অবশ্যই বাংলা। সোমবার বাংলার পঞ্চায়েত ভোটে হানাহানির ঘটনার সমালোচনা করে শাসক তৃণমূলকে দিল্লি থেকে আক্রমণ শানালেন প্রধানমন্ত্রী। পঞ্চায়েতে হওয়া হতাহতের উপরে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি জানান, মনোনয়ন পর্ব থেকে হিংসা চলছে বাংলায়। বিরোধীদের মনোনয়ন দিতে দেওয়া হয়নি। শাসক বাদে সমস্ত বিরোধীদের উপরে আক্রমণ চলছে। সমগ্র দেশ তা দেখছে।প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন, বাংলায় গণতন্ত্রকে হত্যা করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, সোমবারে ভোটগ্রহন ও তার পরের দিন মঙ্গলবার মিলিয়ে মোট ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে রাজ্যে।
 
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের পরেই আক্রমণ শানিয়েছেন তৃণমূল মহাসচিব তথা শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “নরেন্দ্র মোদী দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে যে কথাটা বলেছেন, তাতে মনে হয়েছে তিনি যেন বিজেপির মুখপাত্র হিসাবে বলছেন। ওঁনার বাংলা সম্পর্কে জেনে কথা বলা উচিত ছিল। আসল কথা কর্নাটকের নির্বাচনে ওঁনি এতটাই হতাশ যে, সেই হতাশা কাটাবার জন্য তিনি পশ্চিমবঙ্গে পঞ্চায়েতের গণতন্ত্র নিয়ে ভাবছেন। আসলটা জেনে রাখা উচিত যে, তাঁর দলই এ রাজে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার জন্য বিশৃঙ্খলা তৈরি করছে। ওঁনি আগে নিজের দলের লোককে নিয়ন্ত্রণ করুন। আর এবার পঞ্চায়েত নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীই আহত হয়েছেন। সুতরাং ওঁনি আগে নিজের দলকে গণতন্ত্রের শিক্ষা দিন, নিয়ন্ত্রণ করুন, সেটাই দরকার। আশাকরি তাতে তাঁর কর্নাটকে হারার যন্ত্রণা ও হতাশা কাটবে।”