মাদ্রাসায় পড়েছি বলে কি আমি জঙ্গি? প্রশ্ন নকভির

মাদ্রাসায় পড়েছি বলে কি আমি জঙ্গি? প্রশ্ন নকভির

শিয়া ওয়াকফ বোর্ডের বিস্ফোরক মন্তব্যের পর তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মুখতার আব্বাসি নকভি। মাদ্রাসাগুলি সন্ত্রাসের আঁতুড়ঘর। এই মর্মেই প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছিলেন শিয়া ওয়াকফ বোর্ডের চেয়ারম্যান ওয়াসিম রিজভি। এর পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নকভির পালটা প্রশ্ন, ' আমিও মাদ্রাসায় পড়াশোনা করেছি। তাহলে কি আমি জঙ্গি? ' 
তাঁর সংযোজন, ' কিছু পাগল মাদ্রাসার নামে উলটো পালটা প্রচার চলেছে। দেশ ও জাতির উত্থানে মাদ্রাসাগুলিরও বড় ভূমিকা আছে। আমি নিজেও তো মাদ্রাসায় পড়াশোনা করেছি। তাহলে কি আমি জঙ্গি? ' বস্তুত শিয়া ওয়াকফ বোর্ডের এই মন্তব্যের পর মুসলিম সমাজের একাংশ তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছিল। দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শীর্ষপদে যে মুসলিম ব্যক্তিরা পৌঁছেছেন, তাঁরা অনেকেই মাদ্রাসায় পড়াশোনা করেছেন। কোনও কোনও মাদ্রাসা ব্যতিক্রম হতে পারে। কিন্তু দেশের সব মাদ্রাসাকে সন্ত্রাসের আঁতুড়ঘর বলে দেওয়ায় ক্ষুব্ধ তাঁরা। শিয়ারা প্রকৃত মুসলিম নয় বলেও অনেকে অভিযোগ তুলেছিলেন। যদিও প্রধানমন্ত্রীর কাছে এ নিয়ে কোনও রাখঢাক করেননি বোর্ড প্রধান ওয়াসিম রিজভি। সাফ জানিয়েছিলেন, দেশের মাদ্রাসাগুলিতেই মগজধোলাই হচ্ছে। জন্ম হচ্ছে সন্ত্রাসীদের। তাই সেগুলি বন্ধ করে দেওয়া উচিত।
 এ নিয়েই মুসলিমদের ক্ষোভের প্রতিনিধি হয়ে নকভি বললেন, এভাবে সব মাদ্রাসাকে এক বন্ধনিতে ফেলা উচিত নয়। কোনও মাদ্রাসা সন্দেহজনক কাজ করতে পারে। উত্তরপ্রদেশ সরকার তা নিয়ে কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে। মাদ্রাসাগুলির উপর নজর রাখা হয়েছে। আয়-ব্যয়ের হিসেবও জানতে চাওয়া হযেছে। কিন্তু সাধারণভাবে সেগুলিকে সন্ত্রাসের জন্মভূমি বললে মাদ্রাসাগুলির অবদানকে অস্বীকার করা হয়।