মহারাষ্ট্রের পুরভোটে বিপুল জয় কংগ্রেসের, ধরাশায়ী বিজেপি

মহারাষ্ট্রের পুরভোটে বিপুল জয় কংগ্রেসের, ধরাশায়ী বিজেপি

মহারাষ্ট্রে পুর নির্বাচনে বিজেপিকে হারিয়ে বিপুল ভোটে জয়ী হলো কংগ্রেস। বড় ধাক্কা খেল বিজেপি। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অশোক চহ্বাণের খাসতালুক নান্দেড়ে পরাজিত হলো গেরুয়া শিবির। আর নিজেদের আসন আগের চেয়েও অনেকটা বাড়িয়ে নিয়ে নান্দেড়-বাঘালা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের দখল ধরে রাখল কংগ্রেস। উল্লেখ্য, ২০১৪-র অক্টোবরে মহারাষ্ট্রের মসনদ দখল করার পর থেকে সে রাজ্যের প্রায় কোনও পুরসভা বা পঞ্চায়েত নির্বাচনেই কংগ্রেসের কাছে এত বড় ধাক্কা খায়নি বিজেপি। মুম্বইতে অবশ্য একটি আসনের উপনির্বাচনে বিজেপির জয় হয়েছে।
নান্দেড়-বাঘালা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের আসন সংখ্যা ৮১। ৭১ টি আসনে জয়ী হয়েছে কংগ্রেস। বিজেপি পেয়েছে মাত্র ৪টি আসন। শিবসেনা ১টি। শরদ পওয়ারের দল এনসিপি বা আসাদুদ্দিন ওয়েইসির এআইএমআইএম এ বার একটিও আসন পায়নি নান্দেড়ে। ২০১২ সালের নির্বাচনে নান্দেড়-বাঘালায় ৪১টি আসন পেয়েছিল কংগ্রেস অর্থাৎ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য যে ক’টি আসন জরুরি, ঠিক সেই ক’টিই। এবার মহারাষ্ট্রের পঞ্চায়েত নির্বাচনেও বড় সাফল্য পেয়েছে বিজেপি। কিন্তু পুরভোটেই কংগ্রেসের কাছে হার।  
মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অশোচ চহ্বাণের নিজের এলাকা হল নান্দেড়। ২০১৪-র লোকসভা নির্বাচনের আগে খোদ নরেন্দ্র মোদী মহারাষ্ট্রে সভা করে অশোত চহ্বাণকে আদর্শ আবাসন কেলেঙ্কারি প্রসঙ্গে তীব্র আক্রমণ করেছিলেন। তবু চহ্বাণকে হারানো যায়নি নিজের গড়ে। এ বার নান্দেড়-বাঘালার পুর নির্বাচনের প্রচারে সামনে দাঁড়িয়ে নেতৃত্ব দেন চহ্বাণ। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির নিজস্ব দুর্গ ধসিয়ে দিতে বিজেপিও জোরদার প্রচারে নেমেছিল। কিন্তু সেটা সফল হলো না। 
নিজের খাসতালুকে বিরাট জয়ের পর অশোক চহ্বাণ বলেছেন, ‘‘ নান্দেড় থেকেই বিজেপির পরাজয়ের সূচনা হয়ে গেল। ’’ মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফডণবীস কোনও মন্তব্য করেননি। তবে বৃহন্মমুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের একটি ওয়ার্ডের উপনির্বাচনে এ দিন জয়ী হয়েছে বিজেপি। কংগ্রেস কর্পোরেটরের মৃত্যুতে আসনটি খালি হয়েছিল। সেটির দখল নিয়ে বিজেপি নিজেদের আসনসংখ্যা বাড়িয়েছে বিজেপি।