মধ্যপ্রদেশে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দু’বার গণধর্ষণ করা হলো কিশোরীকে

মধ্যপ্রদেশে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দু’বার গণধর্ষণ করা হলো কিশোরীকে

২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দু’বার গণধর্ষণের শিকার হলেন এক কিশোরী। ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের ঝিন্দওয়ারায়। এই ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার দিন অর্থাৎ শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রাইভেট টিউটরের কাছে পড়তে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল ওই কিশোরী। তবে রাত বাড়লেও সে বাড়ি না ফেরায় চিন্তিত হয়ে পরে বাড়ির সদস্যরা। কিন্তু অনেক খোঁজাখুঁজির পরও খুঁজে না পেয়ে শনিবার স্থানীয় কুন্দিপুরা থানায় নিখোঁজের অভিযোগ দায়ের করেন কিশোরীর অভিভাবকরা। ইতিমধ্যেই তদন্তে নামে পুলিশ। 

রবিবার দিন শহরের বাইরে এক নির্জন এলাকায় অসংলগ্নভাবে কিশোরীকে ঘুরতে দেখে পুলিশ। হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা জানান, কিশোরীকে কড়া ডোজের ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে গণধর্ষণ করা হয়েছে। শনিবার নারকীয় ঘটনাটি ঘটিয়ে নির্যাতিতাকে রাস্তায় ফেলে যায় অভিযুক্তরা। সেই দিন ফের আরও তিনজনের লালসার শিকার হয় নির্যাতিতা কিশোরী। অভিযুক্তরা প্রমাণ লোপাটের জন্য পরে কিশোরীকে শহরের বাইরে ফেলে যায়।

মোট পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মূল অভিযুক্ত এলাকার যুবক রাহুল ভোন্ডে(২৪)। অভিযোগ, মোহিত বারদোয়াই নামের অভিযুক্ত ওই কিশোরীকে অপহরণ করে রাহুলের বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানেই তাকে ঘুমের অসুধ খাইয়ে ধর্ষণ করা হয়। গণধর্ষণের পর নির্যাতিতাকে বাড়ি লাগোয়া জঙ্গলে ফেলে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা। তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

ফের সেখানে গণধর্ষণের শিকার হয় নির্যাতিতা। এই ঘটনায় জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধৃতদের চিহ্নিত করতে পেরেছে নির্যাতিতা কিশোরী। তাদের নাম বান্টি বলভি (২৩), অঙ্কিত রঘুবংশী (২৫), অমিত বিশ্বকর্মা (২১)। এই তিনজন নির্যাতিতা কিশোরীকে ধৃত ভোন্ডের বাড়ি লাগোয়া জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। ধৃতদের বিরুদ্ধে গণধর্ষণ, অপহরণ ও পকসো আইনের আওতায় মামলা রুজু করে তদন্তে নেমেছে পুলিশ। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে নির্যাতিতা কিশোরী।