অপরাধী ধরতে এবার ডিএনএ পরীক্ষা

অপরাধী ধরতে এবার ডিএনএ পরীক্ষা

এবার থেকে অপরাধী ধরতে করা হবে ডিএনএ পরীক্ষা। এই রীতি পশ্চিমী দেশে থাকলেও এদেশে ছিল না। গত ১৫ বছর ধরে এই বিষয়ে আলোচনা চলার পর এবার চালু করার কথা ভাবছে সরকার। সুপ্রিম কোর্টেও এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। 

দু'বছর আগের একটি বিল আজ লোকসভায় পেশ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। বিলটির নাম ডিএনএ টেকনোলজি (‌ইউজ অ্যান্ড অ্যাপ্লিকেশন) রেগুলেশন বিল। এই বিল অনুযায়ী সমস্ত অপরাধী ও অভিযুক্তদের ডিএনএ স্যাম্পল সংগ্রহ করে রাখা হবে। তাছাড়া কোনও অপরাধের জায়গায় সংগৃহীত রক্ত ইত্যাদির ডিএনএ রাখা হবে। নতুন অপরাধের ক্ষেত্রে এই স্যাম্পলিং অপরাধীকে শনাক্ত করতে সাহায্য করবে। ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া রক্ত, চুল ইত্যাদির ডিএনএ স্যাম্পল ব্যাঙ্কের কারও সঙ্গে মিলে গেলে, তখনই চিহ্নিত হয়ে যাবে অপরাধী। একইভাবে কেউ হারিয়ে গিয়ে নাম–ঠিকানা বলতে না–পারলেও নিখোঁজকে শনাক্ত করে ফিরিয়ে দেওয়া সহজ হবে। লোকসভায় কংগ্রেসের অধীর চৌধুরি এই বিল পেশে আপত্তি জানালেও সরকার তা খারিজ করে দেয়।

উল্লেখ্য, এক্ষেত্রে প্রশ্ন ওঠে ডিএনএ পরীক্ষা যদি পক্ষপাতদুষ্ট হয়, সেক্ষত্রে কি করণীয়? সেক্ষেত্রে প্রস্তাবিত আইনে বলা হয়েছে, ডিএনএ প্রোফাইলিং করা হবে শুধু সরকারের অনুমোদিত ল্যাবরেটরিতে। সেখানে পরীক্ষার গুণগত মান যাতে ঠিক থাকে তার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হবে। কেউ ডিএনএ সংক্রান্ত তথ্য ফাঁস করলে তার তিন বছর পর্যন্ত জেল ও ১ লক্ষ টাকা জরিমানা হবে। সরকারি সূত্রে বলা হয়েছে, পুরো বিষয়টির ওপর নজর রাখবে একটি রেগুলেটরি বোর্ড।