হলুদের উপকারিতা

হলুদের উপকারিতা

হলুদ রান্না বা রূপচর্চার কাজ এজেমন ব্যবহৃত হয়, তেমনই ওষুধ হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। আয়ুর্বেদে হলুদকে একটি ওষুধ হিসেবেই দেখা হয়। জেনে নিন কাঁচা হলুদ কিভাবে আপনাকে বহু রোগ থেকে দূরে রাখবে। যদি সকালে খালি পেটে মধুর সঙ্গে একটু কাঁচা হলুদ খেতে পারেন, তাহলে কিছুদিন পরে নিজেই এর সুফল টের পাবেন৷

* আয়ুর্বেদিক মতে, হলুদ নাকি রক্ত শুদ্ধ করে।, তাই হলুদের ফুলের পেস্ট চর্ম রোগ দূর করতে সাহায্য করে বলে শোনা যায়৷

* হলুদের মধ্যে ফিনোলিক যৌগিক কারকিউমিন রয়েছে যা ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে৷

* হলুদ মেদ ঝরাতে সাহায্য করে৷ হলুদের মধ্যে থাকা রাসায়নিক পদার্থ কারকিউমিন, শরীরে খুব তাড়াতাড়ি মিশে যায়। এবং শরীরের কলাগুলোকে বাড়তে দেয় না।

* সর্দি-কাশি হলে এক টুকরো কাঁচা হলুদ মুখে রাখুন। এছাড়া এক গ্লাস গরম দুধের মধ্যে হলুদের গুঁড়ো এবং গোলমরিচ গুঁড়ো মিশিয়েও পান করতে পারেন৷ 

* গা-হাত পা-এ ব্যথা হলে দুধের মধ্যে একটু হলুদ মিশিয়ে খেতে পারেন। জয়েন্টের ব্যথা হলে হলুদের পেস্ট তৈরি করে প্রলেপ দিতে পারেন। দেখবেন আরাম পাবেন৷

* কাঁচা হলুদের সাথে দুধের সর মিশিয়ে, সেই মিশ্রণ মুখে মাখুন ফেস প্যাক হিসাবে। নিয়মিত লাগালে বলিরেখা দূর করতে তা সাহায্য করতে পারে৷

* কাঁচা হলুদ ও শুকনো কমলার খোসা একসঙ্গে বেটে সেই মিশ্রণ স্ক্রাবার হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন৷ প্রাকৃতিক উপায়ে তক্বের জেল্লা ফেরাতে পারে এই স্ক্রাবার৷

* যাঁরা ব্রণর সমস্যায় ভুগছেন তাঁদের কাছে কাঁচা হলুদ দারুণ উপকারী একটি জিনিস৷ কাঁচা হলুদ বাটা, আঙ্গুরের রস ও গোলাপ জল মিশিয়ে ব্রনের উপরে লাগান। একটু পরে ধুয়ে ফেলুন। ব্রণ মিলিয়ে যাবে এবং এতে ইনফেকশনেরও ভয় থাকবে না৷

* ত্বকে ট্যান হলে কাঁচা হলুদ বাটার মধ্যে দই মিশিয়ে লাগান৷ পোড়া ভাব দূর হয়ে যাবে।