মল্লিকার কিডনি দেওয়া হয়েছিল মৌমিতাকে, কিন্তু তাতেও বাঁচানো গেল না তাকে

মল্লিকার কিডনি দেওয়া হয়েছিল মৌমিতাকে, কিন্তু তাতেও বাঁচানো গেল না তাকে

ব্রেন ডেথ হয়েছিল ১৫ বছরের যুবতী মল্লিকা মজুমদারের। পরিবার অঙ্গদানের সিদ্ধান্ত নেয়। মল্লিকার কিডনি দেওয়া হয় খড়দহের বাসিন্দা ২৪ বছরের মৌমিতা চক্রবর্তীকে। কিন্তু তাকে বাঁচানো গেল না। কিডনি প্রতিস্থাপনের পর ৭২ ঘণ্টার মধ্যেই মারা গেলেন মৌমিতা। জানা গিয়েছে, মৌমিতার শরীরে একটি কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয়েছিল। চিকিৎসকরা আগেই  জানিয়েছিলেন, ৭২ ঘণ্টা না কাটলে মৌমিতা বিপন্মুক্ত বলা যাবে না। ঠিক সেটাই হলো। ৭২ ঘন্টার মধ্যেই মারা গেলেন মৌমিতা। 

গত শনিবার এসএসকেএমকে সফল ভাবে কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয়েছিল মৌমিতার শরীরে। যদিও তার পর থেকে শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলের তিনি। অপারেশনের পর থেকেই আইসিইউয়ে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছিল মৌমিতাকে। রবিবার রাত থেকে মৌমিতার শারীরিক পরিস্থিতির অবনতি হতে থাকে। হাসপাতালের তরফে জানানো হয়েছে, সোমবার ভোরে মৃত্যু হয় মৌমিতার। রাজ্যের স্বাস্থ্য অধিকর্তা অদিতি কিশোর সরকার মৌমিতার মৃত্যুর খবরের সত্যতা স্বীকার করে নিয়েছেন।

উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহের বাসিন্দা মৌমিতা বছর দুই ধরে কিডনির সমস্যায় ভুগছিলেন। লেখাপড়া প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। গত শনিবার শিলিগুড়ির মল্লিকা মজুমদারের মরণোত্তর অঙ্গদানের পর নতুন করে জীবন ফিরে পেয়েছিলেন ২৪ বছরের মৌমিতা। মল্লিকার একটি কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয়েছিল মৌমিতার শরীরে, আর একটি করা হয়েছিল সোদপুরের সঞ্জীব দাসের শরীরে। তিনিও ভর্তি এসএসকেএম-এ। সঞ্জীব অবশ্য চিকিত্সায় সাড়া দিচ্ছেন।