ডায়াবেটিসের এই পাঁচটি লক্ষণ সম্পর্কে সচেতন হোন

ডায়াবেটিসের এই পাঁচটি লক্ষণ সম্পর্কে সচেতন হোন

ডায়াবেটিস বা মধুমেহ যেকোনো বয়সেই হতে পারে যাতে রক্তে শর্করার পরিমান বেড়ে যায়। খাওয়া দাওয়ার বিষয়ে সতর্ক থাকলে এই রোগ হবে না, এমনটা যদি ভেবে থাকেন তাহলে সেটি ভুল ধারণা। রোজকার জীবনে আমরা যে পরিমান স্ট্রেস নিই টা যথেষ্ট ক্ষতি করছে আমাদের। এর থেকে হচ্ছে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার প্রবনতা বাড়ছে। পরবর্তী সময়ে ডায়াবেটিস থেকে শরীরে বাসা বাঁধছে আরও কিছু রোগ, যেমন- কিডনির সমস্যা বা হৃদরোগ হতে পারে। 

ডায়াবেটিসের প্রধান দুটি লক্ষণ হচ্ছে, ঘনঘন মূত্রত্যাগ করা ও পিপাসা লাগা। এছাড়াও আরও কিছু উপসর্গ আছে। যেগুলি সম্পর্কে সচেতন থাকাটা খুব জরুরি। সেই উপসর্গগুলি সম্পর্কে জানুন:

১. দৃষ্টি সমস্যা:
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে চোখের পেছনে ছোট রক্তনালীতে শর্করা জমা হতে থাকে। উচ্চ রক্ত শর্করার কারণে এমনটা হয়ে থাকে এবং এর ফলে কোষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর ফলে দৃষ্টি তির্যক হতে পারে এবং এমনকি দৃষ্টিশক্তি হারিয়েও যেতে পারে। তাই আগে থেকেই সাবধান হোন। নতুন রক্তনালী আপনার চোখের পেছনে অবস্থিত দৃষ্টি নিয়ন্ত্রণকারী টিস্যুর পাতলা স্তর রেটিনায়ও ক্ষত সৃষ্টি করতে পারে, যার ফলে রেটিনা সম্পূর্ণরূপে বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে। 

২. হাতে বা পায়ে অসাড়তা:
যখন আপনার স্নায়ুতে রক্ত সরবরাহকারী ছোট রক্তনালী ক্ষতিগ্রস্ত হবে, আপনি আপনার পা, বাহু ও হাতে অসাড়তা অনুভন করতে পারেন। যদি আপনি পা অথবা বাহুতে দীর্ঘস্থায়ী অসাড়তা বা ব্যথা অনুভব করেন তাহলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন। 

৩. যৌন অক্ষমতা:
লিঙ্গ উত্থানের জন্য দুটি ঘটনা ঘটা প্রয়োজন। এক, পুরুষাঙ্গে ভালো রক্তপ্রবাহ প্রয়োজন হবে এবং মস্তিষ্ক থেকে শক্তিশালী স্নায়ু সংকেত প্রয়োজন হবে। ডায়াবেটিস উভয় মেকানিজমে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। 

৪. ক্লান্তি:
রক্তে শর্করার পরিমান বেড়ে গেলে কিডনি রক্ত থেকে আবর্জনা ফিল্টার করার জন্য অতিরিক্ত কাজ করবে। কিডনি অধিক পরিশ্রম করলে তাদের রক্তনালী ড্যামেজ হতে পারে।

৫. বুকে ব্যথা:
ডায়াবেটিসে আক্রান্ত লোকদের কার্ডিওভাস্কুলার রোগের চারগুণ বর্ধিত ঝুঁকি রয়েছে। এর কারণ হৃদপিণ্ডের পার্শ্ববর্তী রক্তনালীর অত্যধিক রক্ত শর্করা প্লেক সৃষ্টিতে অবদান রাখে, যার ফলে ধমনী সংকুচিত হয়- এটি এমন অবস্থা যা হার্ট অ্যাটাকের দিকে নিয়ে যায়।