কখনও শীত কখনও গরম, ভাইরাসের প্রভাবে সর্দি-কাশি, জ্বর

কখনও শীত কখনও গরম, ভাইরাসের প্রভাবে সর্দি-কাশি, জ্বর

শীত পড়লেই ডেঙ্গি থেকে রেহাই পাওয়া যাবে, এমনটাই বলেছিলেন বিশেষজ্ঞরা। ডেঙ্গির প্রকোপ কমলেও শীত ঠিকভাবে না পড়ায় বাড়ছে বিভিন্ন ব্যকটেরিয়ার প্রভাব। ঠান্ডা-গরমের কারণে এই ব্যাকটেরিয়ার ঘনঘটা। 
আবহাওয়াবিদরা বলছেন,  জানুয়ারিতেও গরমের কারণ পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। আর আবহাওয়ার এই খামখেয়ালিপনায় গা ঝাড়া দিয়ে উঠেছে বাতাসে লুকানো ভাইরাস। জ্বর ও সর্দি-কাশি দেখা দিচ্ছে। ঠান্ডা সেভাবে না পড়ায় রাইবো ও ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস এখনও সক্রিয়। তাই সর্দি—কাশি জ্বরের প্রকোপ এখনও চলছে। শরীরে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে সংক্রমণ। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, মাথা ব্যথাই শরীরে সংক্রমণের প্রাথমিক লক্ষণ। মাথাব্যথার শুরু হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সংক্রমণে কাবু হয়ে পড়ছেন রোগীরা। তাপমাত্রা বেড়ে যাচ্ছে ঝট করে। 
তবে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, রাজ্যে আপাতত ডেঙ্গু নেই। বরং খেল দেখাচ্ছে শীতের নতুন অতিথি ভাইরাল ফিভার। অ্যান্টিবায়োটিক খেয়ে জ্বর কমে যাচ্ছে বটে, তবে খুশখুশে কাশি থেকে যাচ্ছে। কিন্তু, শরীর যতই খারাপ হোক,  হুটহাট করে অ্যান্টিবায়োটিক খেতে বারণ করছেন ডাক্তাররা।
চিকিৎসকদের পরামর্শ, গরম লাগলেও হঠাৎ পাখা বা এসি চালাবেন না। তাতে ঠান্ডা বসে যেতে পারে। গলার সংক্রমণ আটকাতে এই সময়ে আইসক্রিম বা ঠান্ডা পানীয় এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।