রাজস্থান, গুজরাতে না মুক্তি না পেলেও গোয়ায় মুক্তি পাবে পদ্মাবত

রাজস্থান, গুজরাতে না মুক্তি না পেলেও গোয়ায় মুক্তি পাবে পদ্মাবত

বিজেপি-শাসিত রাজস্থান, গুজরাত ও মধ্যপ্রদেশে মুক্তি পাচ্ছে না সঞ্জয় লীলা বনশালির ছবি পদ্মাবৎ। কিন্তু উল্টো পথে হাঁটল উত্তরপ্রদেশ ও গোয়া সরকার। দুই রাজ্যের সরকারই জানিয়ে দিয়েছে, সেখানে মুক্তি পাবে এই ছবি।

নাম পাল্টে সেন্সর বোর্ডের নির্দেশ মেনে ছবির বেশ কিছু পরিবর্তনের পরও , যখন 'পদ্মবাত' , মুক্তির দিন ঘোষণা হয়, তখন প্রথমে এই ছবিটিকে নিজের রাজ্যে নিষিদ্ধ করে রাজস্থান সরকার। এরপর বসুন্ধরা রাজে সরকারের সেই অবস্থানের পক্ষে গিয়ে আরেকটি বিজেপি শাসিত রাজ্য গুজরাতও নিষিদ্ধ ঘোষণা করে 'পদ্মাবত'কে। একই রাস্তায় হাঁটে বিজেপি শাসিত হিমাচল সরকার। তবে গোয়ার বিজেপি শাসিত মনোহর পার্রিকর সরকার অবশ্য 'পদ্মাবত'কে মুক্তি পেতে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে। এর আগে , রাজস্থান সরকারের তরফে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গুলাবচন্দ কাটারিয়া স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, রাজস্থানে মুক্তি পেতে দেওয়া হবে না 'পদ্মাবত'কে যদি না ছেঁটে ফেলা হয় বিতর্কিত দৃশ্যগুলি। তবে ফিল্ম নির্মাতারা দৃশ্য ছাঁটাইয়ের কোনও পদক্ষেপ না নেওয়াতে , একের পর এক রাজ্যে নিষিদ্ধ হতে শুরু করেছে 'পদ্মাবত'।
সম্প্রতি, কট্টরপন্থী সংগঠনের সভাপতি সুখদেব সিংহ গোগামেদি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, ‘পদ্মাবত’ মুক্তি পেলে তার যে ফল হবে, সেটার জন্য দায়ী থাকবে সেন্সর বোর্ড ও বিজেপি সরকার। অন্য দিকে, করণী সেনার সদস্য লোকেন্দ্র সিংহ কালভি বলেন ‘আগামী ২৭ জানুয়ারি রাজপুত কমিউনিটির সদস্যরা চিতোরগড়ে একটি জমায়েতে অংশ নেবেন। সেখানে রানি পদ্মিণীর স্বার্থত্যাগ সম্পর্কে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হবে। তাঁর আত্মত্যাগ বৃথা হতে পারে না।’ তাঁর আহ্বান, ‘যাঁরা এই ছবিটি নিষিদ্ধ করার জন্য আমাদের সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত, সকলে ওই দিন চিতোরগড়ে আসতে পারেন

২৮ ডিসেম্বর মেবারের রাজপরিবার ও দুই রাজস্থানী ঐতিহাসিক-সহ সিবিএফসি-র বিশেষ প্যানেল ছবিটি দেখে। তারাই সিবিএফসিকে বেশ কয়েকটি শর্তে ছবি মুক্তির পক্ষে সায় দেয়। শর্তগুলির মধ্যে অন্যতম,