উচ্চমাধ্যমিকের মেধা তালিকায় দশে আশি জন

উচ্চমাধ্যমিকের মেধা তালিকায় দশে আশি জন

মাধ্যমিকের পর উচ্চ মাধ্যমিকেও জেলার জয়জয়কার। মেধা তালিকায় প্রথম দশে ৮০ জন। প্রথম জলপাইগুড়ি জেলা স্কুলের কলা বিভাগের ছাত্র গ্রন্থন সেনগুপ্ত। মেধাতালিকায় প্রথম থেকে দশম স্থানে মোট ৮০জন ছাত্রছাত্রী জায়গা পেয়েছে। এর মধ্যে মাত্র ১২ জন কলকাতার। প্রথম থেকে চতুর্থর মধ্যে জায়গা পায়নি কলকাতার কোনও পড়ুয়াই।

তার প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৬। পার্সেন্টেজ ৯৯.২।

  • পাঠভবনের ছাত্রী তন্নিষ্ঠা মণ্ডল ষষ্ঠ হয়েছে। তার প্রাপ্ত নম্বর ৪৮৫
  • দক্ষিণ কলকাতা নবনালন্দা হাইস্কুলের সাগ্নিক তালুকদারও ষষ্ঠ হয়েছে
  • ৪৮৪ পেয়ে সপ্তম হয়েছে বেথুন কলেজিয়েট স্কুলের ছাত্রী দিশা ঘোষ
  • নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যালয়ের ছাত্র অর্ঘ দে ও শ্রেয়ান্স চ্যাটার্জি অষ্টম হয়েছে। তাদের প্রাপ্ত নম্বর ৪৮৩
  • এছাড়া বাগুইআটি কৃষ্ণপুর আদর্শ বিদ্যামন্দিরের ছাত্র বিশ্বজিৎ দত্ত অষ্টম হয়েছে
  • ৪৮২ পেয়ে নবম হয়েছে বিদ্যাভারতী গার্লস হাইস্কুলের শ্রেয়সী গাঙ্গুলি
  • নবনালন্দা হাইস্কুলের ছাত্র তীর্থঙ্কর বাছার, নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যালয়ের জয়েশ সাউ, পাথফাইন্ডার পাবলিক স্কুলের সায়নী দত্ত ও অরিত্র রায় এবার মাধ্যমিকে দশম হয়েছে। তাদের প্রাপ্ত নম্বর  ৪৮১

সেইসঙ্গে এবার ছাত্রদের টেক্কা দিয়েছে ছাত্রীরা। পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্রের সংখ্যা বেশি হলেও, পাসের হারে ছাত্রদের টেক্কা দিয়ে এগিয়ে ছাত্রীরা। ছা্ত্রদের পাসের হার ৪৭ শতাংশ। আর ছাত্রীদের পাসের হার ৫৩ শতাংশ। ২৩টির মধ্যে ১৮টি জেলায় পাসের হারে এগিয়ে ছাত্রীরা।