প্রেমিক ও স্ত্রী মিলে স্বামীকে খুন

প্রেমিক ও স্ত্রী মিলে স্বামীকে খুন

মনুয়াকাণ্ডের ছায়া এবার হুগলীতে, ২০ বছরের ছোটো প্রেমিকের গিফট করা মোবাইল সূ্ত্রেই মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য। প্রেমিকের সঙ্গে পরিকল্পনা করেই স্বামীকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল বলে জানতে পেরেছেন তদন্তকারী অফিসাররা গৌরী-সুবোধের ২৫ বছরের বিবাহিত সম্পর্ক শেষ হয়ে গেল এক লহমায়। নিজের মেয়ের বয়সি ছেলের সঙ্গে দু-বছর যাবৎ ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল গৌরী হাজরার। তা জানাজানি হতেই সুবোধ হাজরাকে খুনের ছক গৌরী ও তাঁর প্রেমিকের

ফোনের সূত্র ধরে পুলিস জানতে পেরেছে, শুক্রবার সারাদিন দুজনে ফোনে কথা বলেন। ফোনে প্রেমিক সুরজিতকে গৌরীদেবী বলেন, 'আমি আর পারছি না। আমাকে বাঁচাও। আমার স্বামী আমার উপর শারীরিক, মানসিক অত্যাচার করছে। আমার সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে হলে এক্ষুণি ব্যবস্থা কর।'

ফোনে গৌরীদেবীর মুখে এসব কথা শুনেই উত্তেজিত হয়ে পড়ে সুরজিত। ফোনেই সে গৌরীদেবীকে আশ্বাস দেয়, 'আজ রাতেই ব্যবস্থা করছি।'

পুলিশ জানিয়েছে, বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের জেরে খুন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, বিজয়ের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল গৌরীদেবীর। এনিয়ে সুবোধের সঙ্গে তাঁর স্ত্রীর এবং বিজয়ের গন্ডগোল হত। স্থানীয় সূত্রে খবর, গতকাল সুবোধ ও বিজয়ের মধ্যে গন্ডগোল চরমে ওঠে। এরপর রাতে সুবোধের গলা কাটা দেহ উদ্ধার হয়। এই খুনের পিছনে গৌরীর হাত রয়েছে বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রাও। সুরজিৎকে গ্রেফতারের পরই পুলিশের কাছে সব পরিষ্কার হয়ে যায়। রাতে সুরিজৎকে ফ্ল্যাটের দরজা গৌরীই খুলে দিয়েছিল বলে জানতে পেরেছে পুলিশ।