সম্পত্তি হাতাতে প্রতিবন্ধী বোনকে খুন করল দিদি

সম্পত্তি হাতাতে প্রতিবন্ধী বোনকে খুন করল দিদি

মায়ের সম্পত্তি হাতাতে প্রতিবন্ধী বোনকে খুন করলেন দিদি, বেহালার ব্রজেন মুখার্জী রোডের এই ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে, বিয়ের পরও স্বামীর সঙ্গে বাপের বাড়িতেই থাকতেন কেয়া মণ্ডল। প্রতিবেশীদের অভিযোগ, বাপের বাড়ির গোটা সম্পত্তিটাই হাতানোর ছক কষেছিলেন কেয়া ও তাঁর স্বামী প্রবীর মণ্ডল। সম্পত্তি লিখে দেওয়ার জন্য বৃদ্ধা মাকে প্রায়শই মারধর করা হত বলে অভিযোগ। এমনকী, প্রতিবন্ধী বোন কাকলি দাসকেও খেতে দেওয়া হত না বলে অভিযোগ।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, সম্পত্তির লোভে বোনকে খুন করেছে দিদি। রাতে দেহ নিয়ে যাওয়ার সময় আটকান স্থানীয়রা। পুলিশ এসে ময়নাতদন্তে পাঠায়। অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবিতে সকাল থেকে উত্তপ্ত এলাকা। বাড়িতে চড়াও হন প্রতিবেশীরা। বাড়ি থেকে বার করে নিয়ে আসা হয় মৃতার দিদি ও জামাইবাবুকে। স্থানীয়দের হাতে প্রহৃত হন তারা ৷ অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবিতে পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ।

 

মঙ্গলবার নটা পয়তাল্লিশ নাগাদ কাকলি দাস নামে এক প্রতিবন্ধী মহিলার মৃতদেহ নিয়ে যাওয়ার সময় এলাকাবাসী আটকায়। তখনই রুখে দাঁড়ান মৃতার দিদি কেয়া মণ্ডল। দু’পক্ষের মধ্যে শুরু হয় বচসা। ঘটনাস্থলে আসেন বেহালা থানার পুলিশ। যদিও কেয়া মণ্ডল এটিকে স্বাভাবিক মৃত্যু বলে দাবি করেন।

 বৃদ্ধা নিজেও স্বীকার করে নিয়েছেন সেকথা। জানালেন, বড় মেয়ের অত্যাচারের কথা জানিয়ে থানায় গিয়েছিলেন। কিন্তু সুরাহা মেলেনি। যদিও কেয়ার দাবি, তাঁর বোন মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। অসুস্থ হয়েই তাঁর মৃত্যু হয়েছে।