ডোমজুড়ে উদ্ধার ব্যাঙ্ককর্মীর হাত-পা-মুন্ডহীন দেহ, রহস্যময়ী নারীর যোগের সন্দেহ

ডোমজুড়ে উদ্ধার ব্যাঙ্ককর্মীর হাত-পা-মুন্ডহীন দেহ, রহস্যময়ী নারীর যোগের সন্দেহ

হাওড়ার ডোমজুড়ে বেসরকারি ব্যাঙ্ককর্মীকে নৃশংস খুন। রাস্তার ধারে ঝোপ থেকে মুন্ডহীন দেহ উদ্ধার। শুধু তাই নয়, বস্তার মধ্যে হাত-পা-ও ছিল না। পুলিশের অনুমান, লুঠের উদ্দেশে খুন আর এই খুনের  পিছনে রয়েছে পরিচিত কারও হাত।

জানা গেছে, ব্যাঙ্ককর্মী পার্থ চক্রবর্তীর সঙ্গে নিয়মিত ফোনে কথা হত এক তরুণীর। বুধবারও ওই তরুণী পার্থকে ফোন করেছিলেন। বেলা ১২টা ৫০ নাগাদ পার্থকে ফোন করেছিলেন ওই তরুণী। ঠিক তার ১০ মিনিটের মধ্যেই সুইচ অফ হয়ে যায় পার্থর ফোন। এদিকে, ফোন আসার পরই আর পঞ্চম জায়গায় আর কালেকশনে যাননি পার্থ। রহস্যজনকভাবে তারপরই নিখোঁজ হয়ে যান পার্থ।

এর আগে, বুধবারই দুপুরে ডোমজুড় থানায় একটি বেসরকারি ব‍্যাঙ্কের তরফে জানানো হয়, তাঁদের এক কর্মীর হদিশ পাওয়া যাচ্ছে না। সেই সূত্র ধরেই একে একে দুই হয়। বস্তায় দেহাংশ উদ্ধারের পরই খবর দেওয়া হয় ব‍্যাঙ্কে। সেখানকার দুজন কর্মী গিয়ে পোশাক দেখে, বস্তা থেকে উদ্ধার দেহাংশ, নিখোঁজ সহকর্মী পার্থ চক্রবর্তীর বলে প্রাথমিক ভাবে সনাক্ত করেন। পুলিশ জানতে পারে, বছর তিরিশের পার্থর বাড়ি নদিয়ার চাকদহে ৷

ব্যাঙ্কের তরফে জানা গিয়েছে, এদিন পার্থর কাছে তিনলক্ষাধিক টাকা ছিল। যে টাকার কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি।ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ ও পুলিশের তরফে চাকদায় পার্থ চক্রবর্তীর বাড়িতে খবর পাঠানো হয়। গভীর রাতে গিয়ে পরিবারের সদস্যরা দেহ শনাক্ত করেন। জানা যায়, দেহে তিলের দাগ ছিল। দেহটি কার, তা চিহ্নিত যাতে না করা যায়, সেইজন্য খুঁচিয়ে সেই তিলটিও তুলে দেওয়া হয়েছিল।