ভোপালে পুলিশ দম্পতির মেয়েকে ধর্ষন,গ্রেফতার তিন অভিযুক্ত,পলাতক এক

ভোপালে পুলিশ দম্পতির মেয়েকে ধর্ষন,গ্রেফতার তিন অভিযুক্ত,পলাতক এক

ভোপালে পুলিশ দম্পতির মেয়েকে তিন ঘন্টা ধরে ধর্ষন,পলাতক এক অভিযুক্ত,তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ,বৃহস্পতিবার, সন্ধের ঘটনা। ওই যুবতি IAS-এর কোচিং ক্লাস থেকে ফিরছিলেন। দ্রুত বাড়ি ফেরার জন্য শর্টকাট নেন তিনি। ফেরার পথে গোলু বিহারি নামে এক অভিযুক্ত তাঁর হাত ধরে। সঙ্গে ছিল গোলুর শালা অমর ভুন্টু। উভয়েই সেই সময় মদ খাচ্ছিল। দু’জনে মিলে ওই যুবতিকে টেনে একটি পরিত্যক্ত কালভার্টের দিকে নিয়ে যায়।

রাখে। গোলু ফেরে, সঙ্গে আরও দুজন- রাজেশ ও রমেশ। তারাও উপর্যুপরি ধর্ষণ করে মেয়েটিকে। এভাবে চলে রাত ১০টা পর্যন্ত। অবশেষে ছাড়া পান মেয়েটি, তবে তাঁর দুল, ঘড়ি আর ফোন তুলে দিতে হয় ধর্ষকদের হাতে।

কোনওক্রমে হাবিবগঞ্জ স্টেশনের আরপিএফ ছাউনিতে হেঁটে যান মেয়েটি। বাবা মাকে ফোন করেন। মেয়ের অবস্থা দেখে তাঁকে বাড়ি নিয়ে যান বাবা। পরদিন বাড়ির লোক তাঁকে নিয়ে যান এমপি নগর পুলিশ স্টেশনে। সেখান থেকে তাঁদের পাঠানো হয় হাবিবগঞ্জ পুলিশ স্টেশনে, তারা পাঠায় হাবিবগঞ্জ জিআরপিতে। সেখানে পুলিশ তাঁকে ঠাট্টা করে বলে, সিনেমার গল্প বানিয়েছেন তিনি।

নিরাশ হয়ে ফেরার পথেই অভিযুক্ত গোলু ও অমরকে দেখতে পায় নির্যাতিতা। বাবা- মাকে সঙ্গে নিয়ে রীতিমত তাড়া করে দুজনকে ধরে ফেলা হয়। এরপর দুজনকেই জিআরপি-র হাতে তুলে দেওয়া হয়। অভিযুক্ত গোলু বিহারি নিজেরই একবছরের শিশুকন্যাকে খুনের অভিযুক্ত। বর্তমানে সে জামিন মুক্ত ছিল। আরেক অভিযুক্ত অমর সম্পর্কে তারই ভায়রাভাই। এখনও পর্যন্ত মোট তিনজন অভিযুক্তকে গ্রেফতারের পর বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।এদিকে অভিযোগ না নেওয়ার জন্য এমপি নগর থানার এসআই আর এন টেকামকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।