অন্য পুরুষের সঙ্গে যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হতে না চাওয়ায়র বধুকে গায়ে তেল ঢেলে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা শ্বশুড় বাড়ির লোকেদের

অন্য পুরুষের সঙ্গে যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হতে না চাওয়ায়র বধুকে গায়ে তেল ঢেলে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা শ্বশুড় বাড়ির লোকেদের

অন্য পুরুষের সঙ্গে যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হতে না চাওয়ায়র বধুকে গায়ে তেল ঢেলে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা শ্বশুড় বাড়ির লোকেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ,চাপ আসতে থাকে খোদ শাশুড়ির দিক থেকেই। আর প্রস্তাব না মানায় পরিণতি হল ভয়ঙ্কর। নববধূকে পুড়িয়ে মারার অভিযোগ উঠল শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর অভিযোগে স্তম্ভিত পশ্চিম মেদিনীপুরের বেলদার পোড়ালদা গ্রামের বাসিন্দারা।

চুমকি বেরা। বয়স ১৯।মাত্র ৮ মাস আগে কাউটিয়া গ্রামের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ গিরির সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়।
পরিবারের অভিযোগ, চুমকির শাশুড়ি তাঁকে বাড়ির অন্য পুরুষদের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক তৈরি করতে চাপ দিতেন।চুমকি রাজি না হলে তাঁর ওপর অত্যাচার করা হত।
রবিবার চুমকির স্বামী ও শাশুড়ি তাঁর গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন।এরপর শ্বশুরবাড়ির লোকজনই তাঁকে জোড়াগেড়িয়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান। সেখানে থেকে তাঁকে বেলদা গ্রামীণ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখান থেকেও তাঁকে মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। ওই সময় অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করতে যাচ্ছি বলে যুবতির হাতে রেফারের কাগজ তুলে দিয়ে চলে যান শ্বশুরবাড়ির লোকজন। তারপর আর ফিরে আসেননি। 

 

চুমকির পরিবার বিশ্বজিত্ ও তাঁর বাবা-মায়ের বিরুদ্ধে বেলদা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযুক্তরা পলাতক। তাঁদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।