ধর্মতলার হোটেলে যুবকের দেহ উদ্ধার, ক্রমশই দানা বাঁধছে রহস্য

ধর্মতলার হোটেলে যুবকের দেহ উদ্ধার, ক্রমশই দানা বাঁধছে রহস্য

কলকাতার হোটেলে ফের রহস্যময় মৃত্যু।  শুক্রবার সকাল থেকেই হর্ষ বালানি নামে বছর চব্বিশের এক বোর্ডারের সাড়া শব্দ পাওয়া যাচ্ছিল না। শুক্রবার সারাদিন কোনও রুম সার্ভিসেরও অর্ডার দেননি হর্ষ। শেষমেশ শনিবার তাঁর কোনও সাড়া শব্দ না পেয়ে ডুপ্লিকেট চাবি দিয়ে হোটেল রুমে ঢোকেন কর্মীরা। শৌচাগার থেকে অচৈতন্য অবস্থায় হর্ষকে উদ্ধার করা হয়। দেখা যায় তাঁর শরীরের একাধিক স্থানে ক্ষত চিহ্ন রয়েছে। পাশে পড়ে রয়েছে ছুরি। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। জানা গিয়েছে, অনলাইনে হোটেল বুক করেছিলেন হর্ষ বালানি। ভাড়া নিয়েছিলেন ডিলাক্স রুম। দেহের পাশে রক্তমাখা ছুরি উদ্ধার করেন  ফরেনসিক আধিকারিকরা।

খুন না আত্মহত্যা? খতিয়ে দেখছে পুলিশ! যদিও প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, এটি আত্মহত্যার ঘটনাও হতে পারে কারণ যুবকের শরীরে অনেকগুলো গাঢ় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। চিকিৎসক ও ফরেনসিক টিম-এর মতে, যুবক নিজেই নিজের উপর আঘাত হেনেছিল।কিন্তু যদি আত্মহত্যাও হয়ে থাকে, তাহলে যুবককে কি কেউ আত্মহত্যা করতে প্ররচনা করেছিল?  উঠে আসছে আরও নানা প্রশ্ন--বন্ধুদের সঙ্গে কি দেখা করতে শহরে এসেছিলেন হর্ষ ?

ওই ঘরে কেউ এসেছিল কি না তাও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। সেই সূত্রে কয়েকজন হোটেল কর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তদন্তকারীরা জানাচ্ছেন, ময়নাতদন্তের পর জানা যাবে এটি খুন নাকি আত্মহত্যার ঘটনা। তবে এই রহস্য মৃত্যুর তদন্তের কাজ এগিয়ে রাখতে চাইছে পুলিশ। গুজরাতের ওই যুবক কেন কলকাতাতে এসেছিলেন, কি কাজ ছিল তাঁর ইত্যাদি সবকিছুই খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।