এটিএম কান্ডে যুক্ত ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্র,ধৃত দুই

এটিএম কান্ডে যুক্ত ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্র,ধৃত দুই

এটিএম প্রতারণায় নয়া তথ্য। জেরায় অপরাধের কথা স্বীকার ধৃতদের । এলগিন রোড ও কসবায় এটিএমে তথ্য চুরির কথা স্বীকার অভিযুক্তদের। এলগিন রোডে কোটাক মাহিন্দ্রার এটিএমে চুরির চেষ্টার আগে কসবায় ইন্ডাসইন্ড ব্যাঙ্কের এটিএমে স্কিমার বসিয়ে তথ্য চুরি।এটিএম জালিয়াতি চক্রে এবার মুম্বই-যোগ। ধৃত মুম্বইয়ের তিন বাসিন্দা। ধৃত সইদ, সুধীর রঞ্জন ও রোহিত নায়ার। ইলেকট্রিকাল ইনজিনিয়ারিংয়ের ছাত্র রোহিত। এলগিন রোডে এটিএম স্কিমিংয়ের চেষ্টা চালাতে গিয়ে ধরা পড়ে এক যুবক। পালিয়ে যায় তার আরও ২ । জানা যায়, দু’জনই মুম্বই যাচ্ছে । এরপরই তল্লাশিতে ধৃত ওই ২ যুবক । এয়ারপোর্ট এলাকা থেকে গ্রেফতার ২।

গোলপার্ক, মল্লিকবাজারের একাধিক এটিএম-এ স্কিমার ও ক্যামেরা বসিয়ে তথ্য হাতানোর পর প্রতারণা। দিল্লি থেকে দুই রোমানিয়ানকে গ্রেফতারের আগে থেকেই পুলিশের সন্দেহ ছিল স্থানীয় ভাবে কেউ এই প্রতারণার পিছনে রয়েছে। দুই রোমানিয়ানকে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের পর তথ্য পাওয়া যায় বলে দাবি কলকাতা পুলিশের। এরপরই তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী জাল বিস্তার করেন কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দারা। এরই মধ্যে রবিবার বিকেলে কসবার এটিএম স্কিমার লাগানোর পরেই তা ধরা পড়ে যাওয়ার ঘটনা। সেখানে পাওয়া সিসিটিভি ফুটেজে অভিযুক্তদের চেহারা সম্পর্কে আরও তথ্য পায় পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে এলগিন রোডে এটিএম-এ স্কিমার ও ক্যামেরা লাগাতে গিয়ে ধরা পড়ে যায় একজন। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বাকি দুজনের সম্পর্কে নিশ্চিত হন কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দারা।

উল্লেখ্য, কলকাতায় একাধিক রাষ্ট্রায়াত্ব,  বেসরকারি ব্যাঙ্কের ATM থেকে জালিয়াতি করে গ্রাহকদের টাকা তুলে নেওয়ার বেশকিছু ঘটনা ঘটেছে সম্প্রতি। ঘটনার তদন্তে নেমে ইতিমধ্যে দিল্লি থেকে রোমানিয়ার দুই যুবক এবং কলকাতা থেকে মহারাষ্ট্রের তিন যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে এই চক্রের কিংপিনকে এতদিন ধরে ধরার চেষ্টা করছিল পুলিশ। অবশেষে নানা নামে ওই ব্যক্তিকে আজ ভারত-নেপাল সীমান্তের সোনাউলি থেকে আটক করা হয়।