কুম্ভমেলার জন্য টানা ৩ মাস ট্যানারি বন্ধের নির্দেশ দিল যোগী সরকার, এবারও পশ্চিমবঙ্গে আসছেন ব্যবসায়ীরা

কুম্ভমেলার জন্য টানা ৩ মাস ট্যানারি বন্ধের নির্দেশ দিল যোগী সরকার, এবারও পশ্চিমবঙ্গে আসছেন ব্যবসায়ীরা

গত বছর উত্তর প্রদেশে সরকারের নির্দেশে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল প্রায় ৩০০ টি কসাইখানা। যার জেরে চর্মশিল্পে কাঁচামালের টান পড়েছিল। সে রাজ্যের ট্যানারিগুলি প্রায় বন্ধ হতে বসেছিল। সেই সময়ে তাদের অনেকেই পশ্চিমবঙ্গে ব্যবসা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। আর এই বছর কুম্ভমেলার জন্য তিন মাস ট্যানারি বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে যোগী আদিত্যনাথ সরকার। ফলে কলকাতামুখী হচ্ছে আরও ট্যানারি। 

এর আগে কসাইখানা নিয়ে সরকারি কড়াকড়ির জেরে উত্তরপ্রদেশে প্রায় ৩০০ ট্যানারি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এ বার তারা আরও চাপে। কুম্ভ মেলা উপলক্ষে ১৫ ডিসেম্বর থেকে ১৫ মার্চ, তিন মাস সমস্ত ট্যানারি বন্ধ রাখতে বলেছে বিজেপি সরকার। অভিযোগ, ট্যানারির বর্জ্য থেকে দূষণ পৌঁছচ্ছে ত্রিবেণী পর্যন্ত। যেখানে কুম্ভ মেলার পূণ্যস্নান। গত বার কসাইখানার উপরে নিষেধাজ্ঞার পরে পশ্চিমবঙ্গে লগ্নি করতে আসেন উত্তরপ্রদেশের অনেক চর্ম ব্যবসায়ী। এখনও তাঁদের জন্য জমি দেখার কাজ চলছে। এ বারে কুম্ভ মেলার জন্য ট্যানারি বন্ধের নির্দেশ পেয়ে ফের কলকাতায় এসে ট্যানারি ভাড়া নিতে শুরু করেছেন তাঁরা। কেউ তা কিনেও নিচ্ছেন বলে জানা গিয়েছে। 

সবচেয়ে বেশি দুশ্চিন্তায় কানপুরের ব্যবসায়ীরা, যাঁরা বিদেশে জুতো রফতানি করেন। এই তিন মাস কাজ না হলে সেই বাজারই হাতছাড়া হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ নিয়ে ৪ অক্টোবর যোগী আদিত্যনাথের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন ব্যবসায়ীরা। কোন সমস্যার সমাধান মেলেনি।