টিএমসি–র টি মানে টেম্পল, এম মানে মস্ক এবং সি মানে চার্চ

টিএমসি–র টি মানে টেম্পল, এম মানে মস্ক এবং সি মানে চার্চ

টিএমসি–র টি মানে টেম্পল, এম মানে মস্ক এবং সি মানে চার্চ। তাই তৃণমূল কংগ্রেস হল সর্বধর্ম সমন্বয়ের দল। এখানে মন্দির, মসজিদ, গির্জার মধ্যে কোনও ভেদাভেদ নেই। আর কেন্দ্রের সরকারে থাকা দলের কাছে হিন্দু– মুসলমান–খ্রিস্টান–শিখ–জৈন প্রভৃতি ধর্মের মধ্যে ভাগাভাগি ছাড়া অন্য কোনও অ্যাজেন্ডা নেই। বাংলার মাটিতে এসব চলবে না, এমনটাই বললেন পরিবহনমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। 
বৃহস্পতিবার বিকেলে বীরভূমের রাজনগর ব্লকের তাঁতিপাড়ায় দলীয় জনসভায় তিনি এভাবেই সাম্প্রদায়িক রাজনীতির অভিযোগ তুলে বিজেপি–র কড়া সমালোচনা করেছেন। এদিন তিনি মুকুল রায়কে তুলনা করলেন পরিযায়ী পাখির সঙ্গেও। এদিনের সভায় পরিবহনমন্ত্রী ছাড়াও বক্তব্য রাখেন জেলার মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিংহ, আশিস ব্যানার্জি, জেলা সভাধিপতি বিকাশ রায়চৌধুরি এবং দলের জেলা সভাপতি অনুব্রতর মণ্ডল প্রমুখ।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত শনিবার তাঁতিপাড়ায় বিজেপি–র জনসভায় বক্তব্য পেশ করে গেছেন মুকুল রায়, লকেট চট্টোপাধ্যায়, সায়ন্তন বসু প্রমুখ বিজেপি নেতা। সপ্তাহ না ঘুরতেই এখানে তৃণমূল কেন সভা করছে, এর কারণ ব্যাখ্যা করে শুভেন্দু বলেন, ' ‌এখানে কয়েক দিন আগে কিছু পরিযায়ী পাখি বড় বড় কথা বলে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে গেছেন। আমাদের দায়িত্ব মানুষে মানুষে সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রাখা। তাই আমরা মানুষকে বিভ্রান্ত হতে দিতে পারি না। '
এদিনের সভা থেকে নাম না করে মুকুল রায়কে একহাত নেন শুভেন্দু, অনুব্রত ও চন্দ্রনাথ। মূলত মুকুলকে নিশানা করে শুভেন্দু বলেন, ' যারা নিজেদের পাড়ার ভোটে দাঁড়িয়ে জিততে পারবে না, পঞ্চায়েত সদস্য বা পুরসভার কাউন্সিলর হওয়ার যোগ্যতা যাদের নেই, তারা আবার এখানে বড় বড় কথা বলে গেছেন!‌ এরা ধর্মের রাজনীতি আমদানি করে এই রাজ্যে মমতা ব্যানার্জির উন্নয়নকে আটকানোর চক্রান্ত করছে। তৃণমূল উন্নয়ন ছাড়া কিছু বোঝে। সামনের পঞ্চায়েত নির্বাচনেই এই জেলায় কত ধানে কত চাল বুঝিয়ে দেবেন অনুব্রত। '