ঋতব্রতকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত, সুপারিশ পাঠানো হলো দিল্লিতে

ঋতব্রতকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত, সুপারিশ পাঠানো হলো দিল্লিতে

সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে দল থেকে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত নিল সিপিএম। দলের শীর্ষ নেতৃত্বের একাংশের বিরুদ্ধে সংবাদমাধ্যমে মুখ খোলায় তাঁকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিল আলিমুদ্দিন। তিন বছর আগে রাজ্যসভার ভোটে ছাত্রনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রার্থী করেছিল সিপিএম। এর আগে আব্দুর রেজ্জাক মোল্লা বা অনিল বসুর মতো দাপুটে নেতাকে বহিষ্কার করেছিল রাজ্য সিপিএম। সময় লেগেছিল কয়েক ঘণ্টা। কিন্তু ঋতব্রতের ক্ষেত্রে এখনও সিদ্ধান্ত ঘোষণা করতে পারেনি তারা। কারণ, তিনি দলের সাংসদ। সিপিএমের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, সাংসদের ক্ষেত্রে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা অনুমোদন করাতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছ থেকে। তাই রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলী বুধবার বৈঠক করে যে প্রস্তাব নিয়েছে, তা সুপারিশ আকারে পাঠানো হয়েছে দিল্লিতে। অন্তত পলিটব্যুরোর ঘরোয়া বৈঠকে সেই সুপারিশ অনুমোদিত হলে তবেই বিবৃতি জারি করে সিদ্ধান্ত জানানো হবে। তার পরে আগামী ১৪ থেকে ১৬ অক্টোবর কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকে তাতে আনুষ্ঠানিকভাবে সিলমোহর পড়বে।
উল্লেখ্য, তিন দফা অভিযোগে রাজ্য কমিটি তিন মাসের জন্য সাসপেন্ড করেছিল ঋতব্রতকে। মহম্মদ সেলিমের নেতৃত্বে তিন সদস্যের তদন্ত কমিশন রিপোর্ট জমা দেওয়ার পরে তাঁকে রাজ্য কমিটি থেকে বাদ দেওয়ার সুপারিশ করা হয়। সেই সিদ্ধান্ত আসন্ন কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকে অনুমোদিত হওয়ার কথা। 
এদিন বৈঠকের পরে প্রশ্নের জবাবে রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য সুজন চক্রবর্তী বলেন, ' আমাদের দলের সাংগঠনিক কিছু পদ্ধতি আছে। সেইমতোই প্রক্রিয়া হচ্ছে। সংগঠনের সব কথা তো প্রকাশ্যে বলে দেওয়া যায় না! ' রাজ্য কমিটির সদস্য ঋতব্রতের বিরুদ্ধে অন্যতম অভিযোগ ছিল দলের খবর সংবাদমাধ্যমে ফাঁস করার।