নববর্ষ উদযাপনকে কেন্দ্র করে আইআরবি জওয়ানদের মধ্যে গন্ডগোল

নববর্ষ উদযাপনকে কেন্দ্র করে আইআরবি জওয়ানদের মধ্যে গন্ডগোল

নববর্ষে গন্ডগোল আইআরবি সেকেন্ড ব্যাটেলিয়নের জওয়ানদের মধ্যে। গতকাল রবিবার বর্ষবরণের উদযাপনকে ঘিরে গন্ডগোল দেখা দেয় ওই জওয়ানদের মধ্যে। পরিস্থিতি বচসা থেকে হাতাহাতি পর্যন্তও গড়ায়। ঘটনাটি ঘটেছে শিলিগুড়ির কাছে অম্বিকা নগরের হরিপুর এলাকার আই আর বি-সেকেন্ড ব্যাটেলিয়ানের ক্যাম্প-এ।

ঠিক কি ঘটেছিল? অভিযোগ, জওয়ানদের দিয়ে রুটি বেলানোর কাজ করানো হচ্ছিল। জওয়ানরা এই কাজ করতে রাজি না হওয়াতেই গন্ডগোল বাধে। বিক্ষুব্ধ জওয়ানদের বেল্ট ও বন্দুকের বাঁট দিয়ে মারধরও করা হয় বলে অভিযোগ। এর জেরে বেশ কয়েকজন জওয়ান আহত হয়েছেন। তিনজনের আঘাত গুরুতর। তাঁদের কারওর নাক, মুখ, মাথা ফেটেছে। আহতদের উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

গতকাল এই ঘটনার পর আজ সকালে ক্যাম্পাসের মধ্যেই বিক্ষোভ শুরু করেন আইআরবি জওয়ানরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান রাজ্য সশস্ত্র পুলিশের ডিআইজি জয়ন্ত পাল। বিক্ষুব্ধ জওয়ানদের সঙ্গে কথাও বলেন তিনি। ঘটনাস্থলে রয়েছে বিশাল পুলিশবাহিনীও। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আলোচনাও শুরু হয়েছে। 

জানা গিয়েছে, রাত ১২টা নাগাদ বর্ষবরণের উদযাপন করেন অম্বিকা নগরের হরিপুর ক্যাম্পের আইআরবি সেকেন্ড ব্যাটেলিয়ানের জওয়ানরা। কিন্তু আচমকাই তাঁদের মধ্যে বচসা শুরু হয়। বচসা গড়ায় মারামারি পর্যন্ত। গভীর রাতে ক্যাম্প এলাকা থেকে চিৎকার চেঁচামেচি শুনে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। উত্তেজনার খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে যায় নিউ জলপাইগুড়ি থানার পুলিশ। সেই সময় পুলিশের একটি গাড়িতেও ভাঙচুর চালানো হয় বলে অভিযোগ। রাতে ফের উত্তেজনা দেখা দেয়। সকাল হতে সুবিচারের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু হয়।