চালু হওয়ার পর প্রথম দিনের পান-গুটখার পিক দক্ষিণেশ্বরের স্কাইওয়াকে

চালু হওয়ার পর প্রথম দিনের পান-গুটখার পিক দক্ষিণেশ্বরের স্কাইওয়াকে

কালিপুজোর দিন চালু হল দক্ষিণেশ্বরের স্কাইওয়াক। উদ্বোধনের পরে ২৪ ঘণ্টাও কাটেনি। এরই মধ্যে পান ও গুটখার পিকে তা রঙিন হয়ে উঠেছে। গোটা দেশে এই ঘটনার নজির অনেক। কিন্তু এরকমটা বোধ হয় শোনা যায়নি যে, উদ্বোধনের পর রাস্তা চালু হওয়ার প্রথম দিনেই তা পান-গুটখার পিক-এর দাগে রঙিন হয়ে উঠেছে। 

যদিও বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গেই তা পরিষ্কার করে ফেলা হয়েছে। কেউ যাতে স্কাইওয়াক নোংরা না করেন, তার জন্য মাইকে বারবার প্রচারও চালানো হয়েছে। দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের অছি ও সম্পাদক কুশল চৌধুরী বলেন, ''আমরা সঙ্গে সঙ্গে পরিষ্কার করে দিয়েছি। স্কাইওয়াকে প্রচুর সিসি ক্যামেরা রয়েছে। ধরা পড়লেই এক হাজার টাকা জরিমানা করা হবে। এ বিষয়ে মানুষকে সতর্ক করতে বোর্ডও লাগানো হবে।'' 

প্রতি বছরই কালিপুজোর দিন দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে প্রবল ভিড় হয়। তবে এই বছর স্কাইওয়াক চালু হওয়ার কারণে ভিড় সামাল দেওয়া গেছে।সকাল থেকেই দর্শনার্থীরা স্কাইওয়াক ধরে সুষ্ঠু ভাবে পৌঁছে গিয়েছেন মন্দিরের সিংহদুয়ার পর্যন্ত। স্কাইওয়াক চালু হওয়ার পরে নীচের রাস্তা দিয়ে হাঁটা নিষিদ্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন। তাই মানুষকে বাধ্য হয়েই স্কাইওয়াক দিয়ে হাঁটতে হচ্ছে।

স্কাইওয়াকের দৈর্ঘ্য ৩৪০ মিটার। প্রস্থ ১০ মিটার। দক্ষিণেশ্বর স্টেশন থেকে শুরু হয়ে এটি শেষ হয়েছে মন্দিরের সিংহদুয়ারের সামনে।  

স্কাইওয়াকের মাঝখানে রয়েছে ১৩৭টি স্টল। সাত দিনের মধ্যে ওই স্টলগুলির হস্তান্তর হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। স্কাইওয়াকে ওঠার জন্য রয়েছে ২০টি লিফট। তার মধ্যে চালু করা হয়েছে ৬টি। রয়েছে পর্যাপ্ত চলমান সিঁড়ি ও সাধারণ সিঁড়ি। থাকছে সিসিটিভি ক্যামেরা। গেটের সামনে রাখা হয়েছে পথ নির্দেশিকা।