জ্যোতিষীর মাধ্যমে গুরুঙ্গ ও রোশনের  খোঁজ পেতে চাইছে পুলিশ

জ্যোতিষীর মাধ্যমে গুরুঙ্গ ও রোশনের  খোঁজ পেতে চাইছে পুলিশ

গুরুঙ্গকে খুঁজতে এবার জ্যোতিষীর সাহায্য নেবে পুলিশ। কিন্তু হঠাৎ জ্যোতিষী কেন?জানা গিয়েছে, মোর্চা সভাপতি বিমল গুরুঙ্গ  এবং রোশন গিরি এখন ভবিষ্যৎ জানতে সমানে যোগাযোগ করে চলেছেন জ্যোতিষীদের সঙ্গে। আর সেই সূত্র ধরেই দু’জনকে নাগালে পেতে চাইছে পুলিশ এবং সিআইডি।
কিন্তু দুই নেতাকে অবশ্য ভাল খবর শোনাতে পারছেন না জ্যোতিষীরা। পাহাড়-সমতলের যে ক’জন জ্যোতিষীর সঙ্গে তাঁরা যোগাযোগ করেছিলেন, তাঁরা সকলেই জানিয়েছেন, রাজযোগ ভঙ্গ হওয়ায় গুরুঙ্গের পাহাড়ে ফের কর্তৃত্বে ফেরা বিস্তর কঠিন। বরং, প্রচুর মামলা-মোকদ্দমায় জেরবার হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। মঙ্গলবার এ কথা শুনে গুরুঙ্গ-শিবিরের হতাশা ও উদ্বেগ কয়েক গুণ বেড়ে গিয়েছে।
গুরুঙ্গ-ঘনিষ্ঠমহলের দাবি, রাজযোগ ফিরে পেতেই এর পরে পাহাড়ের নানা এলাকায় পুজো এবং যাগযজ্ঞ করার নির্দেশ দিয়েছেন দুই শীর্ষ নেতা। তার জন্য নাকি পাহাড়ের কয়েকটি জায়গায় পুজোও দিয়েছেন গুরুঙ্গপন্থীরা।
জানা গিয়েছে, কলকাতার মা তারা জ্যোতিষ তান্ত্রিক সমাজের যে সদস্যরা উত্তরবঙ্গে রয়েছেন, তাঁদের কাছ থেকেও গুরুঙ্গ-রোশনের পরিচিতরা পরামর্শ নিয়ে থাকেন। দুই নেতাকে চুনি ধারণের পরামর্শও দিয়েছেন কোনও কোনও জ্যোতিষী, এমনটাই জানতে পেরেছে পুলিশ।
গোয়েন্দাদের কেউ কেউ জানাচ্ছেন, তদন্তের স্বার্থেই এখন চুনি ধারণ, যাগযজ্ঞ বা জ্যোতিষীদের সম্পর্কে খোঁজখবর রাখছেন তাঁরা। চেষ্টা করছেন ওই সব জ্যোতিষীকে ধরে গুরুঙ্গ-রোশনের কাছে পৌঁছতে। কিন্তু সেই জ্যোতিষীদের সাহায্য নিয়েও দুই নেতার নাগাল পাওয়া বেশ কঠিন হয়ে পড়ছে। কারণ, জ্যোতিষীদের সঙ্গে নিজেদের ফোনে কথা বলছেন না এই দুই নেতা।