সত্য উন্মোচনের উদ্দেশ্যে সারদা-কাণ্ডে মুকুলের মুখোমুখি জেরায় বসতে চান কুণাল

সত্য উন্মোচনের উদ্দেশ্যে সারদা-কাণ্ডে মুকুলের মুখোমুখি জেরায় বসতে চান কুণাল

সারদাকাণ্ডে মুকুল রায়ের সঙ্গে মুখোমুখি জেরায় বসতে চান কুনাল মিত্র। এমনই ইচ্ছে প্রকাশ করে সিবিআইয়ের কাছে আর্জি জানালেন কুণাল ঘোষ। সিবিআই সেই আর্জিতে গুরুত্ব না দিলে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হবেন বলেও জানিয়েছেন তৃণমূলের এই সাসপেন্ডেড সাংসদ। তাঁর বক্তব্য, সারদা-কাণ্ডের কোনও কিছুই মুকুলের অজ্ঞাত নয়। তাই সারদা-কাণ্ডে মুকুলের ভূমিকা ‘লঘু’ করে দেখানোর কোনও জায়গা নেই। তাই মুকুলের সাথে তাঁকে একত্রে জেরা করলে অনেক  সত্যই  সামনে আসবে। উল্লেখ্য, সারদা-কাণ্ডে মুকুলের ভূমিকা খতিয়ে দেখার জন্য ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ-সহ বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বকে চিঠি দিয়েছেন কুণাল মিত্র। মুকুল রায় অবশ্য বলেছেন, ‘‘ আগেও বলেছি, যে কোনও তদন্তের মুখোমুখি হতে আমি প্রস্তুত। ’’
তৃণমূলে মুকুল রায় ও কুণালের সম্পর্ক যে বেশ ভালোই তার প্রমাণ কিছুদিন আগেও মিলেছে। এ বছর কুণালের পাড়ার পুজোর উদ্বোধনে মুকুলের উপস্থিতিএ তার প্রমাণ। কিন্তু আনুষ্ঠানিক ভাবে মুকুল তৃণমূল-ত্যাগ করার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই কুণাল সিজিও কমপ্লেক্সে সাংবাদিকদের এ সব কথা বললেন কেন, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। মুকুলের দলত্যাগকে কেন্দ্র করে যে ‘চাঞ্চল্য’ তৈরি হয়েছে। 
আবার এ দিনই মুকুলের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন সোমেন মিত্র। তাঁর কথায়, ‘‘ কিছু দিন আগে আমার বাড়িতে এসে উনিই বলেছিলেন, অরুণ জেটলি না থাকলে আমি বাইরে (জেলের) থাকতাম না! সারদা-কর্তার সঙ্গে ডেলোর বৈঠকে কে ছিল? নিজাম প্যালেসে মুকুলবাবুর সঙ্গে সুদীপ্তবাবুর একাধিক বৈঠক হয়েছিল। তিনি এখন কী ভাবে দায়মুক্ত হয়ে যাচ্ছেন, জানি না! ’’ যদিও মুকুলের বক্তব্য, ‘‘একেবারেই বাজে কথা।’’ তবে সোমেন মিত্র পুরো বিষয়টিকে সাজানো বলে মনে করেন। তিনি বলেন, ‘‘ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, মুকুল রায় এবং কেন্দ্রের মধ্যে এটা একটা প্রক্রিয়া চলছে না, কে বলতে পারে? ’’