গণনা শেষের আগে বিজয় উৎসব নয়, রয়েছে মোবাইল ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা

গণনা শেষের আগে বিজয় উৎসব নয়, রয়েছে মোবাইল ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা

ভোট গণনাকেন্দ্রের ভিতরে মোবাইল ব্যবহার করা যাবে না। কেবলমাত্র অবজারভার ও রিটার্নিং অফিসারদের ক্ষেত্রে এই নিয়ম কার্যকর হবে না। গ্রাম পঞ্চায়েত কেন্দ্রগুলির আসনে গণনার সময় ভিতরে প্রার্থী ছাড়া অন্য কেউ থাকতে পারবেন না। ভোট গণনা যতক্ষণ চলবে, ততক্ষণ কোনও মিছিল বা বিজয় উৎসব পালনে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোট গণনা ও ফল প্রকাশ। তার আগে যে কোনও ধরনের অশান্তি ও উত্তেজনা এড়াতে এরকম একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি করল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। কিন্তু অশান্তি এড়ানো যায়নি। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অশান্তির খবর আসছে। কোথাও বিরোধী এজেন্টকে মারধর, কোথাও কোথাও গণনাকেন্দ্রের ভেতর ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না তাদের। 

কমিশন জানিয়েছে, রাজ্যে মোট যে ২৯১টি কেন্দ্রে ভোট গণনা হবে, সেখানে প্রথমে গ্রাম পঞ্চায়েত, তারপর পঞ্চায়েত সমিতি ও সবশেষে জেলা পরিষদের ভোটগণনা হবে। স্ট্রংরুম গুলিতে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা জারি রাখতে বলা হয়েছে। একজন এএসআই-এর নেতৃত্বে প্রতিটি স্ট্রং রুমের দায়িত্বে মোট চার জন সশস্ত্র পুলিশের দল রাখা হয়েছে। উল্লেখ্য,  ২০১৩-র নির্বাচনে মোট ৪৫ কোম্পানি সশস্ত্র নিরাপত্তাকর্মীকে একাজে ব্যবহার করা হয়েছিল।

গতকাল বুধবার ঝাড়গ্রাম ছাড়া রাজ্যের প্রায় সবকটি জেলায় মোট ৫৭৩টি বুথে পুনর্নির্বাচনে হিংসার ঘটনা ঘটেছে প্রচুর। ব্যালট বাক্স লুটের মত ঘটনাও ঘটেছে। উত্তর দিনাজপুরের গোয়ালপোখরে ভোট চলাকালীন বুথের বাইরে দুষ্কৃতীদের গুলিতে নিহত হয়েছেন মহম্মদ তাসিরুদ্দিন নামে এক ব্যক্তি। জখম তিনজন। গতকাল বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত সব মিলিয়ে ভোট পড়েছে ৬৮ শতাংশ।