বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাসের অভিযোগে এবার সিআইডির নোটিশ ঋতব্রতকে

বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাসের অভিযোগে এবার সিআইডির নোটিশ ঋতব্রতকে

দু'দিন আগে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাসের অভিযোগ উঠেছে সিপিএমের বহিষ্কৃত সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। এবার আরও বড় চাপে পড়লেন সাংসদ। অভিযোগকারিণী নম্রতা দত্তর অভিযোগের ভিত্তিতে এবার সিআইডি নোটিশ পাঠালো রাজ্যসভার এই সাংসদকে। রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ তাঁকে নোটিশ পাঠিয়েছে। আগামী ১৩ অক্টোবর ভবানী ভবনে দেখা করার জন্য নোটিশে জানানো হয়েছে বলে সূত্রের খবর। প্রসঙ্গত, গতপরশু বালুরঘাট থানায় ঋতবর্তর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাসের অভিযোগ দায়ের করেন নম্রতা দত্ত নামে এক মহিলা। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্তে নেমেছেন গোয়েন্দারা।
উল্লেখ্য, দলবিরোধী কাজের জন্য রাজ্যসভা সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বহিষ্কার করে সিপিএম। দলের রাজ্য কমিটির সিদ্ধান্তে অনুমোদন দেয় সিপিএমের পলিটব্যুরো। তারপর বিজেপি নেতা ও মুকুল রায়ের সঙ্গে আলোচনা করায় ফের সংবাদ শিরোনামে উঠে আসেন তিনি। এরই মধ্যে টুইটারে বোমা ফাটান নম্রতা দত্ত নামে ওই তরুণী। তাঁর অভিযোগ, চলতি বছর ১৫ অক্টোবর বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তিনি। দিল্লির ফ্ল্যাটে তাদের মধ্যে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক হয়। শুধু তাই নয়, নম্রতার বালুরঘাটের বাড়িতেও নাকি ঋতব্রত গিয়েছিলেন বলে অভিযোগ। এই প্রসঙ্গে নম্রতা বলেন, ' বালুরঘাটে গিয়ে আমার মাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দেন ঋতব্রত। তিনি বলেন, খুব তাড়াতাড়ি বিয়ে করবেন। ' নম্রতা জানান, ' আমি বাংলা ছেড়ে নেদারল্যান্ডসে চলে যাই। সেখানে গত ডিসেম্বরে গিয়েছিলেন ঋতব্রত। সেই খরচ আমি দিয়েছিলাম। শুধু তাই নয়, সেখানে দামি একটি ঘড়ি কিনে দিই। সেই ঘড়িটি নিয়ে কম বিতর্ক হয়নি। ' নম্রতার দাবি, তাঁর সঙ্গে ১৯বার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেছেন ঋতব্রত।
নম্রতা তার অভিযোগে জানিয়েছিলেন, দিন কয়েক আগে তাঁর ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্টে আড়াই লক্ষ টাকা ট্রান্সফার করা হয়। ঋতব্রতের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা পাঠানো হয়েছে। মুখ বন্ধ রেখে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের ক্ষতিপূরণ হিসাবে ওই টাকা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন নম্রতা। এই প্রসঙ্গে ওই তরুণী বলেন, দিন কয়েক আগে দূর্বা সেন নামে এক মহিলা ফোন করেন। তিনি ঋতব্রতের বান্ধবী বলে পরিচয় দেন। বারবার হুমকি ফোন আসতে থাকে। টুইটারে সেই সব কথা ও ঋতব্রতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ কয়েকটি ছবি প্রকাশ্যে এনে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তিনি। 
উল্লেখ্য, এরই মধ্যে দু'টি ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। তাতে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করতে দেখা যাচ্ছে এই সাংসদকে।