শ্বেতির দাগ কিভাবে মোকাবিলা করবেন?

শ্বেতির দাগ কিভাবে মোকাবিলা করবেন?

অনেকের ত্বকেই শ্বেতীর সমস্যা হয়ে থাকে। যাকে ভিটিলিগো বলে। তবে ছোঁয়াচে নয়। হাত, পা, মুখ, ঠোঁট, চোখের চারপাশ সহ শরীরের বিভিন্ন অংশে এটি হতে পারে। ত্বকের এই সমস্যাটির সঠিক কারণ এখনো জানা যায়নি। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন অটোইমিউন ডিজঅর্ডারের কারণে এমন হতে পারে। যার ফলে ইমিউন সিস্টেম নিজেই মেলানিন উৎপন্নকারী কোষকে অর্থাৎ মেলানোসাইটকে আক্রমণ করে। এছাড়াও অন্য যে কারণগুলোকে দায়ী করা যায় সেগুলো হল- জিনগত প্রবণতা, স্ট্রেস, ভিটামিন বি১২ এর ঘাটতি ও সূর্যরশ্মির প্রভাব ইত্যাদি। এছাড়াও ছত্রাকের সংক্রমণ, একজিমা, সোরিয়াসিস ও ত্বকের অন্য সমস্যার কারণেও হতে পারে।

শ্বেতির চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয় ফটোক্যামোথেরাপি, লাইট থেরাপি, লেজার থেরাপি, স্কিন গ্রাফটিং, ব্লিস্টার গ্রাফটিং এবং মাইক্রোপিগমেন্টেশন। এই সবগুলো ও উপায়ও রয়েছে যার মাধ্যমে শ্বেতীর দাগ থেকে রেহাই পাওয়া যেতে পারে বলে মনে করা হয়। জেনে নিন কিভাবে:

আদা:
রক্ত সংবহনের উন্নতি ঘটায় আদা। এটি মেলানিনের নিঃসরণকেও উদ্দীপিত হতে সাহায্য করে। আক্রান্ত স্থানে আদার একটি টুকরা নিয়ে ঘষুন বা আদা থেঁতলে নিয়ে আদার রস কিছুক্ষণ লাগিয়ে রাখুন। লাগানো ছাড়াও দিনে দুইবার আদা চা পান করতে পারেন।

নিম:
ত্বকের যেকোনো সংক্রমণ দূর করতে কার্যকরী নিম। রক্তকে বিশুদ্ধ করতে এবং রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে নিম।কয়েকটি নিম পাতা থেঁতলে নিয়ে জলের সাথে মিশান। এই মিশ্রণটি ত্বকের সাদা হয়ে যাওয়া অংশে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। কয়েক সপ্তাহ যাবত প্রতিদিন এটি ব্যবহার করুন

কপার:
কপার মেলানিনের উৎপাদন বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। একটি তামার পাত্রে সারারাত সাধারণ তাপমাত্রায় জল রেখে দিন। সকালে খালি পেটে সেই জল পান করুন। মেলানিনের উৎপাদন বৃদ্ধি করার জন্য রোজ এই জল পান করুন।

নারকেল তেল:
ছত্রাক, ব্যাকটেরিয়া ও ইনফ্লামেশনের বিরুদ্ধে দারুন কাজ করে নারকেল তেল। এর পাশাপাশি মেলানিনের গঠনেও সাহায্য করে নারকেল তেল। দুই সপ্তাহ ধরে দিনে ২-৩ দিন ব্যবহার করুন নারকেল তেল।